কলকাতা: বাকি নেই আর ৪৮ ঘন্টাও। আগামী ২৩ এপ্রিল প্রথম দফার ভোটগ্রহণ (West Bengal Assembly Election 2026)। নির্বাচনের আগে কড়া কমিশন। গতকাল অর্থাৎ সোমবার মদ বিক্রিতে নিষেধাজ্ঞা জারি করেছিল নির্বাচন কমিশন। ভোটগ্রহণ পর্ব শুরুর ৪৮ ঘন্টা আগে থেকেই সব দোকান, রেস্তোরাঁ, পাবে মদ বিক্রি বন্ধ করার বিজ্ঞপ্তি জারি করা হয়েছিল।
এবার আরও এক নির্দেশিকা জারি করে বাইক চলাচলে রাশ টানল নির্বাচন কমিশন। মঙ্গলবার কমিশনের তরফে বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, ভোটের দু-দিন আগে থেকে বাইক চলাচল নিয়ন্ত্রণ কড়া হবে। সকাল ৬ টা থেকে সন্ধ্যে ৬ টা পর্যন্ত বন্ধ থাকবে বাইক চলাচল। তবে জরুরী পরিষেবা, শিশুদের স্কুলে যাওয়া আসার ক্ষেত্রে এই নিয়ম কার্যকর হবে না। একান্ত প্রয়োজনীয় হলে স্থানীয় থানা থেকে বিশেষ অনুমতি নিয়ে রাস্তায় বাইক বের করা যাবে।
চিন্তায় পড়েছেন ডেলিভারি কর্মীরা
ভোটবঙ্গে এই নির্বাচনী কড়াকড়িতে অনলাইন ডেলিভারি কর্মীদের কপালে ভাঁজ। তাঁদের একাংশের বক্তব্য, এই নিষেধাজ্ঞার ফলে তাঁদের রুটিরুজিতে টান পড়বে। ঘটনাকে হাতিয়ার করে সুর চড়িয়েছে তৃনমূলও। তাঁদের অভিযোগ, নির্বাচন কমিশন বিষয়টিকে ‘সুপার ইমারজেন্সি’ করতে চাইছে।
কেন এত কড়াকড়ি?
নির্বাচন কমিশনের স্পষ্ট বার্তা, ভোটের সময় যাতে কোনোরকম অশান্তি না হয়, তা নিশ্চিত করতেই এই নজিরবিহীন পদক্ষেপ। তাঁদের দাবী, ভোটের (West Bengal Assembly Election 2026) সময় কোনও রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মীরাই এই নিয়মের ফলে বাইক ব্যবহার করতে পারবেন না।
পাশাপাশি, সরু গলি বা ভিড়ভাট্টার সংকীর্ণ রাস্তায় বাইক সহজেই চলাচল করতে পারে, ফলে অনেক সময় নাকা চেকিং এড়িয়ে যাওয়া সম্ভব হয়। শুধু তাই নয়, নগদ টাকা বা বেআইনি মদ পরিবহনের ক্ষেত্রেও বাইক ব্যবহারের অভিযোগ প্রায়ই ওঠে। এই ধরনের বেআইনি কার্যকলাপে লাগাম টানতেই প্রশাসনের তরফে নেওয়া হয়েছে কড়া পদক্ষেপ। প্রথম দফার ভোটকে সামনে রেখে মঙ্গলবার থেকেই এই নির্দেশ কার্যকর করা হয়েছে।


