Aaj India Desk, দক্ষিণ ২৪ পরগনা: ভোটকে সামনে রেখে বাংলায় মোতায়েন করা হয়েছে আড়াই হাজারেরও বেশি কেন্দ্রীয় বাহিনীর কোম্পানি। রাজ্যের বিভিন্ন জেলায় ছড়িয়ে রয়েছেন তাঁরা। দক্ষিণ ২৪ পরগনার ফলতাতেও রয়েছে সেই বাহিনীর উপস্থিতি। এর মধ্যেই ভোটের দায়িত্বে আসা আইটিবিপি (ITBP)-র এক জওয়ানের রক্তাক্ত দেহ উদ্ধার হওয়ায় এলাকায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। মৃত জওয়ানের নাম কনক কোচ (৪১)। তাঁর এই অস্বাভাবিক মৃত্যুকে ঘিরে তৈরি হয়েছে নানা প্রশ্ন। ইতিমধ্যেই পুলিশ একটি অস্বাভাবিক মৃত্যুর মামলা দায়ের করে তদন্ত শুরু করেছে।
জানা গেছে, ভোটের কাজে আসা আইটিবিপি-র একদল জওয়ানকে রাখা হয়েছিল ফলতা দোস্তিপুর হাইস্কুলে। সেখানেই ঘটে এই মর্মান্তিক ঘটনা। পুলিশ সূত্রে খবর, কনক কোচ আইটিবিপি-র এ-ওয়ান গ্রুপের জওয়ান ছিলেন। গতকাল রাতে স্কুলের বারান্দা থেকে তাঁকে রক্তাক্ত অবস্থায় উদ্ধার করা হয়। এরপর তাঁকে দ্রুত হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে চিকিৎসকরা মৃত বলে ঘোষণা করেন। পরে দেহটি ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে ডায়মন্ড হারবার মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের মর্গে। ময়নাতদন্তের রিপোর্টেই মৃত্যুর আসল কারণ জানা যাবে বলে জানিয়েছে পুলিশ। পাশাপাশি ঘটনার তদন্তও শুরু হয়েছে।
উল্লেখ্য, এ রাজ্যে এবার দু’দফায় নির্বাচন অনুষ্ঠিত হচ্ছে-২৩ এপ্রিল ও ২৯ এপ্রিল। দক্ষিণ ২৪ পরগনায় ভোট রয়েছে দ্বিতীয় দফায়। তবে ভোটের অনেক আগেই এলাকায় কেন্দ্রীয় বাহিনীর টহল শুরু হয়ে গিয়েছে। বিভিন্ন স্কুল-সহ নানা জায়গায় তাঁদের থাকার ব্যবস্থা করা হয়েছে। ফলতার ওই স্কুলেও আইটিবিপি-র জওয়ানদের একটি দল অবস্থান করছিল। সেখানেই গতকাল স্কুলের বারান্দায় রক্তাক্ত অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখা যায় কনক কোচকে।
কীভাবে ওই জওয়ান ওই অবস্থায় পড়ে ছিলেন, তা নিয়ে এখনও স্পষ্ট কিছু জানা যায়নি। এই ঘটনার পর থেকেই নানা জল্পনা তৈরি হয়েছে। পুলিশ অস্বাভাবিক মৃত্যুর মামলা রুজু করে তদন্ত শুরু করেছে। পাশাপাশি কেন্দ্রীয় বাহিনীর তরফেও বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে। এখন সবার নজর ময়নাতদন্তের রিপোর্টের দিকে, সেখানেই স্পষ্ট হবে মৃত্যুর প্রকৃত কারণ।


