পূর্ব বর্ধমান: একুশের ভোটে যে ভাতা করেছিল মানুষের মন জয়, ছাব্বিশে তা দিয়েই দেখানো হচ্ছে ভয়! ফের একবার তৃণমূল নেত্রীর মুখে ‘লক্ষ্মীর ভান্ডার’ (Lokkhir Bhandar) বন্ধের হুঁশিয়ারি! এবার ঘটনা পূর্ব বর্ধমানের মেমারির। জানা গিয়েছে, মেমারি ১ নং ব্লকের তৃণমূল মহিলা সভানেত্রী গীতা দাস বলেন, যাঁদের বাড়ির দেওয়ালে ‘পদ্মফুল’ আঁকা থাকবে, তা মুছে না দিলে বন্ধ হয়ে যাবে লক্ষ্মীর ভান্ডার (Lokkhir Bhandar)!
পাশাপাশি যারা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নিন্দে করছে তাদের ‘লজ্জা হওয়া দরকার’ বলেও মন্তব্য করেন তিনি। তাৎপর্যপূর্ণভাবে অভিনেতা তথা ঘাটালের সাংসদ দেবের মঞ্চেই এই হুঁশিয়ারি দেন তৃণমূলের ব্লক সভানেত্রী। সম্প্রতি মেমারি কেন্দ্রে তৃণমূলের টিকিট-প্রাওত প্রার্থী রাসবিহারী হালদারের সমর্থনে জনসভায় যোগ দিয়েছিলেন দেব। তাঁর আগে সভামঞ্চ থেকে এই বক্তব্য রাখেন গীতা দাস।
শুধু তাই নয়, “বিজেপি পদ্মফুল আঁকতে গেলে ঝাঁটা নিয়ে তাড়া করবি” বলেন তিনি। তৃণমূল নেত্রীর এই মন্তব্যে ইতিমধ্যেই শোরগোল পড়ে গিয়েছে। ২০২১-এর বিধানসভা ভোটে ‘লক্ষ্মীর ভান্ডারই’ (Lokkhir Bhandar) মমতার তুরুপের তাস প্রমাণিত হয়েছিল। চ্ছাব্বিশের ভোটের আগে তাই বাংলার মা-বোনদের খুশি করতে ভাতার পরিমাণ বাড়িয়ে ১৫০০ টাকা করে দিয়েছেন মমতা। ক্ষমতায় থাকলে আজীবন লক্ষ্মীর ভান্ডার দেওয়ার প্রতিশ্রুতিও দিয়েছেন তিনি।
কিন্তু এই লক্ষ্মীর ভান্ডার (Lokkhir Bhandar) নিয়েই ‘ভয়ের রাজনীতি’ করছেন তৃণমূলের কিছু স্থানীয় নেতা-নেত্রী। তৃণমূলকে ভোট না দিলে লক্ষ্মীর ভান্দার বন্ধ হয়ে যাবে বলে সদ্য হুমকি দিয়েছেন দক্ষিণ ২৪ পরগণার মগরাহাটের তৃণমূল যুব সভাপতি ইমরান হাসান। তাঁর সেই ভিডিও ইতিমধ্যেই ভাইরাল। কিন্তু এই ভয়ের রাজনীতি করে কি আদৌ জনসমর্থন পাবে তৃণমূল? উত্তর মিলবে ৪ মে।


