কলকাতা: জোড়াফুল প্রতীক (TMC Symbol) যুদ্ধে যুযুধান মমতার তৃণমূল! আসন্ন নন্দীগ্রাম-রেজিনগর উপনির্বাচনে ‘ফুটবলার’ প্রতীকে ময়দানে নামবেন মমতা! সেইসঙ্গে রয়েছে পুরভোট! ফলে প্রশ্ন উঠছিল, পুরভোটের আগে কি ‘জোড়াফুল’ প্রতীকের নিষ্পত্তি হবে? নাকি আরও দীর্ঘ হবে প্রতীক-যুদ্ধ? সোমবার শীর্ষ আদালতে ছিল মমতা বনাম ঋত শিবিরের প্রতীক-যুদ্ধের (TMC Symbol) শুনানি।
প্রসঙ্গত, তৃণমূলের নাম ও ‘জোড়াফুল’ প্রতীক নিয়ে দুই শিবিরের বিবাদের মধ্যেই ১৮ সেপ্টেম্বর নির্বাচন কমিশন অন্তর্বর্তী সিদ্ধান্তে পুরনো নাম ও প্রতীক ‘ফ্রিজ’ করে দেয়। দুই পক্ষকেই উপনির্বাচনের জন্য আলাদা নাম ও প্রতীক দেওয়া হয়।
এরপরই কমিশনের সিদ্ধান্তকে চ্যালেঞ্জ করে সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হয় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় শিবির। শুনানিতে এবার সময়সীমা বেঁধে দিল শীর্ষ আদালত। দুই পক্ষকে চার সপ্তাহের মধ্যে নিজেদের বক্তব্য জমা দিতে বলা হয়েছে এবং নির্বাচন কমিশনকে বিবাদটি তিন মাসের মধ্যে নিষ্পত্তি করতে বলা হয়েছে।
অর্থাৎ, এখন প্রশ্নটা শুধু উপনির্বাচনের নয়। এরপরের বড় নির্বাচনী লড়াইয়ে ‘জোড়াফুল’ প্রতীক (TMC Symbol) নিয়ে মাঠে নামবে কোন শিবির?
এই মুহূর্তে অবশ্য দুই শিবিরই বিকল্প প্রতীকে ভোটের লড়াইয়ে রয়েছে। কমিশনের অন্তর্বর্তী ব্যবস্থায় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় শিবির পেয়েছে ‘ফুটবল খেলোয়াড়’ প্রতীক, আর ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায় নেতৃত্বাধীন শিবির পেয়েছে ‘খাম’ প্রতীক।
তাই ‘জোড়াফুল’কে (TMC Symbol) ঘিরে আসল লড়াই এখনও বাকি। আদালতের নির্দেশের পর এবার বল নির্বাচন কমিশনের কোর্টে। পুরভোটের আগে কি ফিরবে পুরনো জোড়াফুল? নাকি প্রতীক-যুদ্ধ আরও দীর্ঘ হবে? উত্তর মিলবে কমিশনের চূড়ান্ত সিদ্ধান্তে। আর সেই সিদ্ধান্তের দিকেই এখন নজর দুই শিবিরের।


