কলকাতা: SIR ইস্যুতে মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক জ্ঞানেশ কুমারের ইস্তফার দাবিতে যখন বিরোধী শিবির একজোট, ঠিক তখনই নতুন রাজনৈতিক জল্পনায় উত্তাল বাংলার রাজনীতি। সিপিএমের সাধারণ সম্পাদক এম এ বেবি এই ইস্যুতে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে (Mamata Banerjee) চিঠি দেওয়ার পর থেকেই প্রশ্ন উঠেছে, তৃণমূল ও সিপিএমের দূরত্ব কি কমছে?
শনিবার শ্রীরামপুরের সভা থেকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কেন্দ্রের বিজেপি সরকার এবং নির্বাচন কমিশনের ভূমিকার তীব্র সমালোচনা করেন। তাঁর ভাষণে ‘আজাদি’ স্লোগানও উঠে আসে, যা ঘিরে রাজনৈতিক মহলে নানা ব্যাখ্যা ও জল্পনা শুরু হয়েছে।
রবিবার সকালে সেই জল্পনাকেই হাতিয়ার করে তৃণমূল ও সিপিএমকে একযোগে নিশানা করলেন বিজেপির বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। তিনি কটাক্ষ করে বলেন, “সিপিএম–তৃণমূলের ভালোবাসা”, এবং দাবি করেন, রাজনৈতিক সমঝোতার কারণেই দুই দলের মধ্যে যোগাযোগ বাড়ছে। পাশাপাশি তাঁর অভিযোগ, সিপিএম ও কংগ্রেসও এখন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের (Mamata Banerjee) পাশে দাঁড়িয়েছে।
শুভেন্দু (Suvendu Adhikari) আরও বলেন, যে সিপিএমকে ক্ষমতা থেকে সরাতে একসময় মানুষ তৃণমূলকে সমর্থন করেছিল, আজ সেই দুই দলই নাকি রাজনৈতিকভাবে কাছাকাছি এসেছে। তবে তাঁর এই মন্তব্যের বিষয়ে তৃণমূল বা সিপিএমের তরফে তাৎক্ষণিক কোনও প্রতিক্রিয়া সামনে আসেনি।
SIR বিতর্ক, ‘আজাদি’ স্লোগান এবং এম এ বেবির চিঠিকে ঘিরে বাংলার রাজনৈতিক তরজা যে আরও তীব্র হতে চলেছে, তা নিয়ে রাজনৈতিক মহলে জল্পনা ক্রমেই বাড়ছে।


