Aaj India Desk, মুর্শিদাবাদ: মুর্শিদাবাদের ইসলামপুরে রাজনৈতিক বিরোধকে কেন্দ্র করে হামলার অভিযোগ উঠেছে। গুরুতর আহত এক কংগ্রেস (Congress) কর্মীর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যু (Death) হয়েছে। মৃতের নাম জিয়াউর রহমান (Ziaur Rahman) ওরফে পিন্টু। শুক্রবার রাতে হামলার পর তাঁকে মুর্শিদাবাদ মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছিল। শনিবার রাতে সেখানেই তাঁর মৃত্যু হয় বলে পরিবারের দাবি।
ঘটনাটি ইসলামপুর থানার হুড়শি এলাকার। পরিবারের অভিযোগ, কংগ্রেস করার কারণে বেশ কিছুদিন ধরেই জিয়াউর রহমানকে হুমকি দেওয়া হচ্ছিল। শুক্রবার রাতে তিনি একা বাড়ি ফেরার সময় কয়েকজন তাঁর উপর হামলা চালায় বলে অভিযোগ। ধারালো অস্ত্র দিয়ে হামলার জেরে গুরুতর আহত হন তিনি। পরে স্থানীয়রা তাঁকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যান।
মৃত্যুর খবর ছড়িয়ে পড়তেই মুর্শিদাবাদ মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালে পৌঁছন রানিনগরের কংগ্রেস বিধায়ক জুলফিকার আলি। তিনি মৃতের পরিবারের সঙ্গে দেখা করেন এবং পাশে থাকার আশ্বাস দেন। ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় উত্তেজনা তৈরি হয়েছে। পুলিশ ইতিমধ্যেই ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে।
জুলফিকার আলির অভিযোগ, জিয়াউর রহমান দলের সক্রিয় কর্মী ছিলেন। তাঁর দাবি, তৃণমূল (TMC) ছেড়ে এনসিপিআই (NCPI)-তে যোগ দেওয়া কয়েকজন গত দু’আড়াই মাস ধরে জিয়াউর রহমানের উপর নজর রাখছিলেন। তাঁর অভিযোগ, শুক্রবার বাড়ি ফেরার সময়ই অস্ত্র নিয়ে হামলা চালানো হয়। যদিও এই হামলার অভিযোগ নিয়ে এখনও এনসিপিআই-এর পক্ষ থেকে কোনও প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি। হামলার পিছনে আসল কারণ কী এবং ঘটনায় কারা জড়িত, তা তদন্ত করে দেখছে পুলিশ।
উল্লেখ্য, গত বিধানসভা নির্বাচনে রানিনগর আসনে জয় পেয়েছিল কংগ্রেস। পরে রাজ্যে রাজনৈতিক পালাবদলের পর মুর্শিদাবাদ লোকসভা কেন্দ্রের তৃণমূল সাংসদ আবু তাহের এনসিপিআই-তে যোগ দেন। এরপর থেকেই এলাকায় ওই দলের প্রভাব বাড়ার দাবি করা হচ্ছে। কয়েকদিন আগেই ডোমকল পঞ্চায়েত সমিতিও এনসিপিআইয়ের দখলে যায়। যদিও সেই সময় সাংসদ আবু তাহের দাবি করেছিলেন, এনসিপিআই বলে কোনও দল নেই।


