Aaj India Desk, নয়াদিল্লি: পুজোর আগে চিনির মজুত (Sugar stock) নিয়ে বড় সিদ্ধান্ত নিল কেন্দ্রীয় সরকার (Centarl Government)। এতদিন কোনও সংস্থা সর্বোচ্চ ১৫ দিনের প্রয়োজন অনুযায়ী চিনি মজুত রাখতে পারত। এবার সেই সীমা বাড়িয়ে ৩০ দিন করা হল। তবে অতিরিক্ত ১৫ দিনের চিনি মজুতের ক্ষেত্রে নির্দিষ্ট কিছু শর্ত (Condition) মানতে হবে। কেন্দ্রের তথ্য অনুযায়ী, অগস্টে খুচরো বাজারে চিনির দাম কেজি প্রতি প্রায় ৬৫ টাকায় পৌঁছে গিয়েছিল। সেপ্টেম্বরে সেই দাম কিছুটা কমে এখন প্রায় ৫৮.৫ টাকা হয়েছে। অর্থাৎ প্রায় ১০ শতাংশ দাম কমেছে।
এক্স-মিল স্তরে অবশ্য দাম কমার হার আরও বেশি, প্রায় ২৫ শতাংশ। কেন্দ্রের বক্তব্য, কারখানা থেকে বেরোনোর সময় চিনির দাম যতটা কমেছে, খুচরো বাজারে তার পুরো প্রভাব এখনও পড়েনি। ফলে সাধারণ ক্রেতারা এখনও সেই হারে সস্তা চিনি পাচ্ছেন না। উৎসবের মরশুমে বাজারে চিনির দাম নিয়ন্ত্রণে রাখতে আগেই ১০ লক্ষ টন চিনি আমদানির অনুমতি দিয়েছিল কেন্দ্র। পাশাপাশি ৮ লক্ষ টন চিনি রফতানির অনুমতিও দেওয়া হয়।
এবার মজুতের সময়সীমা বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হলেও সব ধরনের চিনির ক্ষেত্রে একই নিয়ম থাকছে না। ১৫ দিনের বেশি চিনি মজুত করতে হলে সেই অতিরিক্ত চিনি অবশ্যই অ্যাডভান্স অথরাইজেশন স্কিম বা AAS এবং ট্যারিফ রেট কোটা বা TRQ-এর আওতায় আমদানি করা হতে হবে। মজুত সংক্রান্ত তথ্যেও স্বচ্ছতা বজায় রাখার নির্দেশ দিয়েছে কেন্দ্র। অন্যদিকে, খোলা বাজার থেকে কেনা চিনির ক্ষেত্রে কোনও পরিবর্তন করা হয়নি। সেই চিনি এখনও সর্বোচ্চ ১৫ দিনের প্রয়োজন অনুযায়ী মজুত করা যাবে।
কেন্দ্রের দাবি, বাজারে চিনির সরবরাহ ঠিক রাখা এবং দাম নিয়ন্ত্রণে রাখার পাশাপাশি বড় ক্রেতা বা বাল্ক কনজিউমারদের প্রয়োজনের কথাও মাথায় রেখেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে ব্যবসায়ী, পাইকারি ও খুচরো বিক্রেতাদের কাছে আবেদন করা হয়েছে, এক্স-মিল স্তরে দাম কমার সুবিধা যেন দ্রুত সাধারণ মানুষের কাছে পৌঁছে দেওয়া হয়। এর পাশাপাশি, আগামী ১ অক্টোবর থেকে শুরু হচ্ছে ২০২৬-২৭ সালের নতুন চিনি মরশুম। সেই দিন থেকেই আখচাষিদের জন্য FRP বা ন্যায্য ও লাভজনক মূল্য বাড়িয়ে কুইন্টাল প্রতি ৩৬৫ টাকা করা হবে।


