30 C
Kolkata
Thursday, September 3, 2026
spot_img

একবার মুছল, ফের লিখল! যাদবপুরের দেওয়ালে ‘হিটলার-মুসোলিনি’ স্লোগান, উত্তেজনা চরমে

Aaj lndia Desk, কলকাতা: যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয় (Jadavpur University)-এর ক্যাম্পাসে দেওয়াল লিখনকে কেন্দ্র করে ফের উত্তেজনা ছড়ালো । কয়েকদিন আগে বিতর্কিত কিছু লেখা মুছে দেওয়ার পর বৃহস্পতিবার সকালে নতুন করে বেশ কয়েকটি রাজনৈতিক স্লোগান দেখা যায়। ফলে বিশ্ববিদ্যালয়ের অন্দরে ফের শুরু হয়েছে চর্চা। ইতিমধ্যেই ছাত্র সংগঠনগুলির পাল্টাপাল্টি কর্মসূচি ঘিরে উত্তেজনা রয়েছে। তার মধ্যে নতুন দেওয়াল লিখন পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলেছে।

চুনকামের পরেও থামেনি দেওয়াল-লিখনের পালা

ঘটনার সূত্রপাত কয়েকদিন আগেই। বিশ্ববিদ্যালয় চত্বরে থাকা কিছু দেওয়াল লিখন ও গ্রাফিতি নিয়ে আপত্তি ওঠে। শনিবার রাতে সেগুলি ঢেকে দেওয়ার কাজ শুরু হয়। পরদিন একাধিক দেওয়াল সাদা রঙে রাঙিয়ে দেওয়া হয়েছিল। এরপর সেই জায়গায় বামপন্থী ছাত্রছাত্রীদের তরফে কার্ল মার্ক্সের একটি উদ্ধৃতি লেখার ঘটনা সামনে আসে। মঙ্গলবার সেই লেখাটিও মুছে ফেলা হয়। কিন্তু তারপরেও পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়নি। বৃহস্পতিবার সকালে ফের ওই দেওয়ালগুলিতেই নতুন রাজনৈতিক স্লোগান চোখে পড়ে।

কী লেখা হয়েছে দেওয়ালে?

নতুন লেখাগুলির মধ্যে একটি স্লোগানে হিটলারের প্রসঙ্গ তুলে তাঁর মতো কৌশল অবলম্বনকারীদের পরিণতি নিয়ে হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়েছে। অন্য একটি লেখায় মুসোলিনির প্রসঙ্গ টেনে আরএসএসকে ‘আজাদি’ দেওয়ার কথা বলা হয়েছে।

কে বা কারা রাতের অন্ধকারে এই লেখাগুলি করেছে, তা এখনও নিশ্চিত নয়। কোনও নির্দিষ্ট সংগঠনও এখনও প্রকাশ্যে এই দেওয়াল লিখনের দায় স্বীকার করেনি। ফলে লেখাগুলির নেপথ্যে কারা রয়েছে, তা নিয়ে জল্পনা শুরু হয়েছে।

ABVP-SFI সংঘাতের আবহেই নতুন বিতর্ক

যাদবপুরে সাম্প্রতিক সময়ে এবিভিপি এবং বাম ছাত্র সংগঠনগুলির মধ্যে একাধিকবার সংঘর্ষের পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। সেই টানাপোড়েনের মধ্যেই বৃহস্পতিবার এবিভিপির পক্ষ থেকে ‘বন্দে মাতরম যাত্রা’র কর্মসূচি রাখা হয়েছে। একই দিনে ত্রিগুণা সেন অডিটোরিয়ামে ‘হরিপদ ভারতী স্মৃতিরক্ষা সমিতি’র উদ্যোগে একটি জাতীয়তাবাদী সম্মেলনের আয়োজন করা হয়েছে। অনুষ্ঠানের শুরুতে বৈদিক মন্ত্রপাঠ এবং ‘বন্দে মাতরম’ পরিবেশনের কর্মসূচি রয়েছে।

পাল্টা মিছিলের ডাক এসএফআইয়ের

অন্যদিকে, এবিভিপির কর্মসূচির দিনেই ক্যাম্পাসে মিছিলের ডাক দিয়েছে এসএফআই। ফলে একই দিনে দুই ছাত্র সংগঠনের কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে ফের উত্তেজনা ছড়ানোর আশঙ্কা রয়েছে।

এরই মধ্যে দেওয়াল থেকে পুরনো লেখা মুছে যাওয়ার পর নতুন করে বিতর্কিত স্লোগান দেখা দেওয়ায় প্রশ্ন উঠছে, বিশ্ববিদ্যালয় চত্বরে দেওয়াল লিখনের এই পালা আদৌ কোথায় গিয়ে থামবে? এখন নজর সেদিকেই।

আরও পড়ুন:

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

0FansLike
0FollowersFollow
0SubscribersSubscribe
- Advertisement -spot_img

আরও পড়ুন