28 C
Kolkata
Tuesday, September 1, 2026
spot_img

নেপালে এবার ‘মহামারীর’ আতঙ্ক! নদীর জলে ‘বিষ’, জারি সতর্কবার্তা!

কাঠমান্ডু: এক বিপর্যয় কাটতে না কাটতেই আরও ভয়ংকর আশঙ্কা! নেপালের হড়পা বানে (Nepal Flash flood) মৃতের সংখ্যা পৌঁছে গিয়েছে হাজারের কাছাকাছি। এখনও নিখোঁজ সাড়ে চার হাজারেরও বেশি মানুষ। আর এই ভয়াবহতার মধ্যেই বিপর্যস্ত নেপালের সামনে এবার নতুন আতঙ্ক, মহামারী।

গত বুধবার হিমবাহ ধসের পর হড়পা বান (Nepal Flash flood)। ছয় দিন পেরিয়ে গেলেও থামেনি উদ্ধারকাজ। নদীর জল থেকে এখনও একের পর এক পচাগলা মৃতদেহ উদ্ধার হচ্ছে। দীর্ঘ সময় জলে থাকার কারণে বহু দেহ এতটাই ক্ষতিগ্রস্ত যে, চোখে দেখে শনাক্ত করাই কার্যত অসম্ভব। তাই এখন নতুন পদ্ধতিতে এগোচ্ছে প্রশাসন। DNA নমুনা সংগ্রহ করে মৃতদেহগুলি নদী তীরবর্তী এলাকায় গণকবর দেওয়া হচ্ছে।

কিন্তু বিপদ এখানেই শেষ নয়!

পচতে থাকা মৃতদেহের কারণে নদীর জল ভয়ংকরভাবে দূষিত হয়ে উঠেছে বলে আশঙ্কা প্রশাসনের। ফলে বিপর্যস্ত এলাকাগুলিতে ছড়াতে পারে নানা রোগ। ইতিমধ্যেই নেপাল সরকারের তরফে কড়া সতর্কবার্তা জারি করা হয়েছে। নদীর জল পান নয়! বন্যাকবলিত এলাকার খাবার বা পানীয় গ্রহণ নয়। কারণ সামান্য অসতর্কতাতেও গুরুতর অসুস্থতার ঝুঁকি রয়েছে বলে সতর্ক করা হয়েছে।

অন্যদিকে, নেপালের হাসপাতালগুলিতে নিখোঁজ স্বজনদের খোঁজে উপচে পড়ছে ভিড়। হাসপাতালের দেওয়ালে টাঙানো হচ্ছে মৃতদের ছবি। প্রিয়জনের মুখ খুঁজছেন অসংখ্য মানুষ। কিন্তু উদ্ধার হওয়া শত শত দেহের মধ্যে এখনও মাত্র কয়েক ডজনকে শনাক্ত করা সম্ভব হয়েছে। বন্যার জলে দীর্ঘ সময় থাকার কারণে অনেক দেহ ছিন্নভিন্ন হয়ে যাওয়ায় শনাক্তকরণ কার্যত দুঃসাধ্য হয়ে উঠেছে।

মঙ্গলবার সকালে নেপালের একাধিক জেলায় ফের বন্যা ও হড়পা বানের (Nepal Flash flood) আশঙ্কায় সতর্কতা জারি হয়েছে। পূর্ব, মধ্য ও পশ্চিম নেপালের একাধিক এলাকায় বাড়ছে জলস্তর। নুয়াকোট ও রাসুয়ায় হড়পা বানের আশঙ্কা রয়েছে। তাপলেজুং, শঙ্খুয়াসভা, সোলুখুম্বু, খোটাং, ওখালঢুঙ্গা, রামেচাপ-সহ একাধিক জেলায় আকস্মিক বন্যার ঝুঁকি রয়েছে। পশ্চিম নেপালের গোর্খা, লামজুং, ডলপা, রুকুম পূর্ব ও রুকুম পশ্চিমেও জারি হয়েছে সতর্কতা।

আরও পড়ুন:

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

0FansLike
0FollowersFollow
0SubscribersSubscribe
- Advertisement -spot_img

আরও পড়ুন