কলকাতা: স্কুল সার্ভিস কমিশনের (SSC) প্রশাসনিক কাঠামোয় বড়সড় পরিবর্তন আনল রাজ্য সরকার। এসএসসি-র প্রশাসনে সরকারি আধিকারিকদের ভূমিকা আরও বাড়ানো হল। পাঁচটি রিজিওনাল স্কুল সার্ভিস কমিশনের সেক্রেটারি পদে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে WBCS আধিকারিকদের। পাশাপাশি সেন্ট্রাল স্কুল সার্ভিস কমিশনের জয়েন্ট সেক্রেটারি পদেও এক WBCS আধিকারিককে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।
নবান্নের এই সিদ্ধান্তকে এসএসসি (SSC)-র প্রশাসনিক ব্যবস্থায় গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন হিসেবেই দেখা হচ্ছে। এর আগে রিজিওনাল কমিশনগুলির চেয়ারম্যান পদে বিভিন্ন সময়ে বিধায়ক, রাজনৈতিক নেতা কিংবা অধ্যাপকদের দায়িত্ব দেওয়ার নজির ছিল। এবার সেই কাঠামোয় সরকারি প্রশাসনিক আধিকারিকদের আরও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা দেওয়া হল।
সরকারি সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, মালদা রিজিওনাল স্কুল সার্ভিস কমিশনের (SSC) সেক্রেটারি পদে দায়িত্ব পেয়েছেন ২০০২ ব্যাচের WBCS আধিকারিক প্রলয় রায়চৌধুরী। উত্তর ২৪ পরগনা রিজিওনাল স্কুল সার্ভিস কমিশনের সেক্রেটারি করা হয়েছে ২০০৪ ব্যাচের শ্রাবন্তী দাসকে।
বাঁকুড়া রিজিওনাল স্কুল সার্ভিস কমিশনের (SSC) সেক্রেটারি পদে দায়িত্ব পেয়েছেন ২০০৪ ব্যাচের WBCS আধিকারিক মিঠু সরকার। পূর্ব বর্ধমান রিজিওনাল স্কুল সার্ভিস কমিশনের সেক্রেটারি হয়েছেন ২০০৭ ব্যাচের পূর্ণিমা দে। কলকাতা রিজিওনাল স্কুল সার্ভিস কমিশনের সেক্রেটারি পদে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে ২০০৯ ব্যাচের WBCS আধিকারিক কাবেরী ঘোষকে।
শুধু রিজিওনাল কমিশনেই নয়, সেন্ট্রাল স্কুল সার্ভিস কমিশনের প্রশাসনিক স্তরেও পরিবর্তন আনা হয়েছে। জয়েন্ট সেক্রেটারি পদে দায়িত্ব পেয়েছেন ২০০৩ ব্যাচের WBCS আধিকারিক উজ্জ্বল সেনগুপ্ত।
এর আগে এসএসসি (SSC)-র চেয়ারম্যান পদেও মুখ্যসচিব পর্যায়ের আধিকারিককে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল। এবার রিজিওনাল কমিশনগুলির গুরুত্বপূর্ণ প্রশাসনিক পদে WBCS আধিকারিকদের নিয়োগের ফলে কমিশনের কাজকর্মে আরও সরাসরি সরকারি প্রশাসনিক নজরদারি বাড়ানোর বার্তা মিলছে। এই পরিবর্তনের ফলে এসএসসি-র প্রশাসনিক কার্যপ্রণালী কতটা বদলায়, এখন সেদিকেই নজর।


