কলকাতা: ছবির শুটিং করতে গিয়ে ভয়াবহ প্রাকৃতিক বিপর্যয়ের (Nepal Flash flood) মুখে পড়েছিলেন অভিনেতা খরাজ মুখোপাধ্যায় (Kharaj Mukherjee)। নেপালের পোখরায় বাংলাদেশি ছবি শিকার-এর শুটিং চলাকালীন আচমকাই হড়পা বান আছড়ে পড়ে। বন্যা পরিস্থিতির জেরে স্ত্রী প্রতিভাকে নিয়ে সেখানেই আটকে যান তিনি। কয়েকদিনের উৎকণ্ঠার পর অবশেষে শুক্রবার নিরাপদে কলকাতায় ফিরলেন অভিনেতা।
বিমানবন্দরে নেমেই যা বললেন খরাজ
কলকাতায় ফিরেই সোশ্যাল মিডিয়ায় একটি ভিডিও বার্তায় অনুরাগীদের আশ্বস্ত করেন খরাজ মুখোপাধ্যায় (Kharaj Mukherjee)। “আমি এবং আমার স্ত্রী প্রতিভা এখনই কলকাতায় ফিরলাম। আমরা পোখরায় শুটিং করতে গিয়েছিলাম। অনেক সমস্যা তৈরি হয়েছিল। আপনারা আমাদের নিয়ে উদ্বিগ্ন ছিলেন, আমি শুনেছি। সমস্যা পেরিয়ে আমরা গোরক্ষপুরে পৌঁছই। সেখান থেকে কলকাতায় এলাম। সকলের ভালোবাসায় আমরা সাবধানে ফিরে আসতে পেরেছি। আগামী দিনে আরও অনেক ভালো কাজ উপহার দেব আশা করছি।” এই বার্তা প্রকাশ্যে আসতেই স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেলেছেন তাঁর (Kharaj Mukherjee) অসংখ্য অনুরাগী।
শুটিং করতে গিয়ে বিপাকে!
জানা গিয়েছে, বাংলাদেশি ছবি শিকার-এর শুটিং চলছিল নেপালের পোখরায়। খরাজের (Kharaj Mukherjee) সঙ্গে ছিলেন তাঁর স্ত্রী প্রতিভাও। ঠিক সেই সময় ভয়াবহ হড়পা বান (Nepal Flash flood) ও বন্যা পরিস্থিতি তৈরি হওয়ায় যাতায়াত ব্যাহত হয় এবং শুটিং ইউনিটের সদস্যরা আটকে পড়েন। পরে গোরক্ষপুর হয়ে কলকাতায় ফিরতে সক্ষম হন অভিনেতা।
একই ছবির অন্য তারকারাও ছিলেন নেপালে
- রজতাভ দত্ত: একই ছবির শুটিংয়ে নেপালে থাকলেও দুর্ঘটনার আগেই কলকাতায় ফিরে আসেন।
- অপু বিশ্বাস: বাংলাদেশের অভিনেত্রী জানিয়েছেন, তিনি নিরাপদে রয়েছেন এবং কাঠমান্ডু থেকে ঢাকায় ফেরার কথা রয়েছে।
অন্যদিকে বাড়ছে উৎকণ্ঠা
যেখানে খরাজ নিরাপদে ফিরেছেন, সেখানে এখনও উদ্বেগের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছেন মুকুল রায়ের পুত্রবধূ শর্মিষ্ঠা ভৌমিক রায়। পরিবার সূত্রে জানা গিয়েছে, তিনি একাই মানস-সরোবর ভ্রমণে গিয়েছিলেন। নেপালে হড়পা বানের (Nepal Flash flood) পর থেকেই তাঁর মোবাইল ফোন বন্ধ এবং এখনও পর্যন্ত তাঁর সঙ্গে যোগাযোগ করা যায়নি। পরিবারের প্রতিটি মুহূর্ত কাটছে চরম উৎকণ্ঠায়। (সরকারি ভাবে তাঁর অবস্থান এখনও নিশ্চিত করা হয়নি।)
খরাজের নিরাপদ প্রত্যাবর্তনের খবর যেমন স্বস্তি এনে দিয়েছে, তেমনই নেপালের এই ভয়াবহ প্রাকৃতিক বিপর্যয় (Nepal Flash flood) এখনও বহু পরিবারের কাছে উদ্বেগ ও অনিশ্চয়তার কারণ হয়ে রয়েছে।


