Aaj India Desk, মালদহ : যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়, প্রেসিডেন্সি কলেজ ও ওয়েস্ট বেঙ্গল স্টেট ইউনিভার্সিটিতে ABVP এর সাথে অন্যান্য ছাত্র ইউনিয়নগুলির সংঘর্ষের পর এবার ফের তার রেশ দেখা গেলো মালদহের শামসি কলেজে। সেখানে ABVP-র পতাকা ছেঁড়া ও পায়ে মাড়ানোর একটি ভিডিও সমাজমাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে। তবে ভাইরাল ভিডিওটির সত্যতা স্বাধীনভাবে যাচাই করেনি আজ ইন্ডিয়া। ABVP-র অভিযোগের ভিত্তিতে কলেজের দুই পড়ুয়া দেবজিৎ সাহা ওরফে রিজু এবং অরিজিৎ রবিদাসকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। (Malda Shamsi College)
কী কী দেখা যায় ভিডিওতে ?
সমাজমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিওতে ABVP-র পতাকা ছেঁড়া এবং সেটি পায়ে মাড়ানোর ছবি দেখা গিয়েছে বলে দাবি করা হয়েছে। একই ভিডিওতে স্বামী বিবেকানন্দের ছবি দেওয়া একটি ABVP পোস্টার ছেঁড়ার দৃশ্যও রয়েছে বলে অভিযোগ। এই ভিডিওটি সামনে আসার পরই শামসি কলেজে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে।
ABVP-র অভিযোগে গ্রেপ্তার ২
ঘটনার পর ABVP-র তরফে পুলিশের কাছে অভিযোগ দায়ের করা হয়। সেই অভিযোগের ভিত্তিতেই দেবজিৎ সাহা ওরফে রিজু এবং অরিজিৎ রবিদাসকে গ্রেফতার করা হয়েছে। অন্যদিকে, ঘটনার পর থেকেই তৃণমূল ছাত্র পরিষদের সদস্য তারেক আনোয়ার পলাতক বলে অভিযোগ ABVP-র। ঘটনার পরপরই সমাজমাধ্যমে একটি ভিডিও পোস্ট করে তিনি ক্ষমা চেয়েছেন বলেও দাবি করে এবিভিপির সমর্থকরা। তাঁকে দ্রুত গ্রেপ্তারের দাবি জানিয়েছে ABVP।
কলেজ (Malda Shamsi College) পরিচালন সমিতির সভাপতি তথা বিজেপি বিধায়ক গৌরচন্দ্র মণ্ডল বলেন, কলেজে যে কোনও সংগঠন নিজেদের কার্যক্রম চালাতে পারে। তবে সেই কার্যক্রমকে কেন্দ্র করে অশান্তি তৈরি হলে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে। অন্যদিকে, কলেজের প্রাক্তন TMCP সভাপতি প্রসূন রায় তারেক আনোয়ার নামে কাউকে চেনেন না বলে দাবি করেছেন। তাঁর বক্তব্য, বর্তমানে কলেজে তাঁদের সংগঠনের কোনও কমিটিও নেই।
মালদহের শামসি কলেজ (Malda Shamsi College), মেদিনীপুর কলেজ থেকে শুরু করে পরপর শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ছাত্র সংগঠনগুলির সংঘর্ষ ও পাল্টা অভিযোগ ঘিরে রাজ্য জুড়ে এখন উত্তেজনা তৈরি হয়েছে। শামসি কলেজের ঘটনায় এখন মূল নজর পুলিশের তদন্তে। ভাইরাল ভিডিয়োর সত্যতা, ঘটনার সম্পূর্ণ প্রেক্ষাপট এবং অভিযুক্তদের ভূমিকা তদন্তের পরই স্পষ্ট হবে।


