Aaj India Desk, কলকাতা : এক সপ্তাহের ডেডলাইন পেরিয়ে গিয়েছে। তাই এবার আর স্পিকারের কাছে নয়, সরাসরি সুপ্রিম কোর্টে পা রাখলেন ডায়মন্ড হারবারের তৃণমূল সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় (Abhishek Banerjee)। তৃণমূলের টিকিটে নির্বাচিত হয়ে অন্য দলে যোগ দেওয়া ২০ জন সাংসদের সদস্য পদ খারিজের দাবিতে কেন্দ্র করে ওম বিড়লার নিষ্ক্রিয় ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলেই শীর্ষ আদালতের দ্বারস্থ হয়েছেন তিনি। চলতি সপ্তাহেই মামলাটির শুনানির সম্ভাবনা রয়েছে।
বিধানসভা ভোটের ফলপ্রকাশের পরেই জোড়াফুল প্রতীকে নির্বাচিত ২০ জন সাংসদ তৃনমূল কংগ্রেস ছেড়ে NCPI-তে যোগ দেন। তাঁদের সাংসদপদ খারিজের দাবিতে এর আগে লোকসভার স্পিকারের কাছে আবেদন জানিয়েছিলেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় (Abhishek Banerjee)। দলত্যাগ বিরোধী আইনের আওতায় ওই সাংসদদের সদস্যপদ খারিজের বিষয়ে স্পিকারের নির্দেশ প্রয়োজন। কিন্তু তৃনমূল কংগ্রেসের অভিযোগ অনুযায়ী, বহুদিন আগে আবেদন জানানো হলেও এখনও পর্যন্ত এই বিষয়ে স্পিকারের তরফে কোনও শুনানি বা বিজ্ঞপ্তি জারি করা হয়নি।
এই পরিস্থিতিতে লোকসভায় ওই সাংসদদের আসন পরিবর্তন করার পর বিষয়টি আরও জটিল আকার নেয়। তৃণমূলের তরফে প্রশ্ন তোলা হয়, দলত্যাগ নিয়ে স্পিকারের কোনও আনুষ্ঠানিক সিদ্ধান্ত না হলে কীসের ভিত্তিতে সাংসদদের আসন বদল করা হল?স্পিকারের সঙ্গে সাক্ষাৎ করে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় লোকসভায় তৃণমূলের ২৮ জন সাংসদের জন্য নির্ধারিত আসনব্যবস্থা পুনর্বহালের দাবিও জানিয়েছিলেন। এই কাজের জন্য স্পিকারকে এক সপ্তাহের ডেডলাইনও দিয়েছিলেন তিনি। এবার সেই সময় অতিক্রান্ত হতেই সরাসরি আদালতে হাজির হন তিনি।
শীর্ষ আদালতে দায়ের করা মামলায় অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় (Abhishek Banerjee) প্রশ্ন তোলেন, ওই ২০ সাংসদের ক্ষেত্রে কেন দলত্যাগ বিরোধী আইন কার্যকর করা হবে না এবং তাঁদের সদস্যপদ খারিজের বিষয়ে কেন সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে না। স্পিকারের নিষ্ক্রিয়তা এবং তার পরেও সাংসদদের আসন পরিবর্তনের সিদ্ধান্তের বৈধতা নিয়েও আদালতের হস্তক্ষেপ চাওয়া হয়েছে। এখন ওই ২০ সাংসদের পদ খারিজের দাবি এবং স্পিকারের ভূমিকা নিয়ে সুপ্রিম কোর্ট কী অবস্থান নেয়, সেদিকেই নজর রাজনৈতিক মহলের।


