Aaj lndia Desk, কলকাতা: অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় (Abhishek Banerjee) -পিএ সুমিত রায়ের বিরুদ্ধে একের পর এক মামলা ঘিরে এ বার আইনি লড়াই শুরু। নিজের বিরুদ্ধে দায়ের হওয়া চারটি এফআইআর এবং তদন্তকারী সংস্থার পাঠানো একাধিক নোটিসের বৈধতা নিয়ে প্রশ্ন তুলে কলকাতা হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয়েছেন সুমিত। সংবিধানের ২২৬ নম্বর অনুচ্ছেদের অধীনে তাঁর রিট পিটিশন দায়েরের অনুমতি দিয়েছেন বিচারপতি সৌগত ভট্টাচার্য। মঙ্গলবার মামলাটির শুনানি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
‘রাজনৈতিক উদ্দেশ্যেই একের পর এক মামলা’
হাইকোর্টে সুমিতের আবেদনে অভিযোগ করা হয়েছে, তাঁর বিরুদ্ধে ধারাবাহিক ভাবে মামলা দায়েরের পিছনে রয়েছে রাজনৈতিক উদ্দেশ্য। আবেদনে এই গোটা প্রক্রিয়াকে ‘সমন্বিত ও রাজনৈতিক ভাবে উদ্দেশ্যপ্রণোদিত’ বলে দাবি করা হয়েছে।
সুমিতের আইনজীবীদের বক্তব্য, রাজ্যের রাজনৈতিক পরিস্থিতি বদলের পর তাঁকে নিশানা করা হচ্ছে। তদন্তকারী সংস্থাগুলি নিরপেক্ষ ভাবে তদন্ত না করে যান্ত্রিক এবং স্বেচ্ছাচারী পদ্ধতিতে একের পর এক পদক্ষেপ করছে বলেও আবেদনে অভিযোগ তোলা হয়েছে।
কোন চারটি এফআইআরকে চ্যালেঞ্জ?
হাইকোর্টে দায়ের করা আবেদনে মোট চারটি মামলাকে চ্যালেঞ্জ করা হয়েছে। সেগুলি হল—
– কালিতলা আউট পোস্টের কেস নম্বর ১৪০/২০২৬
– বিষ্ণুপুর থানার কেস নম্বর ৭৫৩/২০২৬
– রবীন্দ্রনগর থানার কেস নম্বর ২১৩/২০২৬
– বিষ্ণুপুর থানার কেস নম্বর ৮৮৪/২০২৬
এর পাশাপাশি ভারতীয় নাগরিক সুরক্ষা সংহিতা, ২০২৩-এর ৯৪ নম্বর ধারায় সুমিতের কাছে পাঠানো বিভিন্ন নোটিসের বৈধতা নিয়েও প্রশ্ন তোলা হয়েছে।
কী আর্জি সুমিতের?
সুমিতের আইনি দলের দাবি, সংশ্লিষ্ট এফআইআরগুলিতে তাঁর বিরুদ্ধে নির্দিষ্ট ও স্পষ্ট অপরাধের বিবরণ নেই। অভিযোগগুলিকে অস্পষ্ট, ভিত্তিহীন এবং ত্রুটিপূর্ণ বলেও দাবি করা হয়েছে।
তাঁর আবেদন, চারটি এফআইআর বাতিল করা হোক এবং ৯৪ নম্বর ধারায় পাঠানো নোটিসগুলিও খারিজ করা হোক। মামলা নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত পুলিশ বা তদন্তকারী সংস্থা যাতে তাঁর বিরুদ্ধে কোনও জবরদস্তিমূলক পদক্ষেপ না নিতে পারে, সেই সুরক্ষাও চাওয়া হয়েছে। এখন আদালত কী নির্দেশ দেয়, সে দিকেই নজর রাজনৈতিক ও আইনি মহলের।


