Aajindia desk, কলকাতা: ভোটের আগে শেষবার শ্রীরামপুরে ৮ই এপ্রিল এসেছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়(Mamata Banerjee)। বিশাল বড় এক জনসভা করেছিলেন তিনি।। তারপরেও পরাজিত হতে হয় তাঁর প্রার্থী তন্ময় ঘোষকে। তার পাঁচ মাসের মধ্যেই আবার শ্রীরামপুরে সভা করলেন মমতা।। সেবারের সঙ্গে এবারের তফাৎ অনেক জায়গায়। সেই আগ্রাসন এখন আর নেই। কারণ মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নয় এবার এসেছেন তৃণমূলের একটি শাখা নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এবার দিল্লি দখলের ডাক দিয়েছিলেন মমতা। আর এখন তাকে সরিয়ে বাংলা দখল করে নিয়েছে বিজেপি।
কেমন হলো এবারের সভা?
হাইকোর্টের নির্দেশে আগে থেকেই জানা ছিল জমায়েত খুব একটা হবে না। তারপরেও মমতার (Mamata Banerjee) সভায় ভিড় ছিল চোখে পড়ার মতন। মমতার অভিযোগ তার সভায় আসার জন্য আগে থাকতে পুলিশ হুমকি দিয়ে রেখেছে। জিটি রোদে ইচ্ছাকৃত জ্যাম তৈরি করেছে। যাতে মানুষ যোগ দিতে না পারেন। বাড়ি থেকে বেরোনোর আগেই তিনি বলেছিলেন তাকে নজরবন্দি রাখা হচ্ছে। সবার থেকেও তিনি সেই একই কথা বলেন, “‘আমাকে বাড়ি থেকে বেরোতে দেয় না। কল্যাণকে ধন্যবাদ। আদালত থেকে অনুমতি করিয়েছে। এখন হানিমুন পিরিয়ড নয়, এখন মানিমুন পিরিয়ড চলছে।মনে রাখুন দিল্লি টলোমল। পাপ বাপকেও ছাড়ে না। ধর্মের কল বাতাসে নড়ে।’
মানুষের কি প্রতিক্রিয়া?
শ্রীরামপুর কোর্টের মাঠে মমতার (Mamata Banerjee) সভা নিয়ে জনগণের মধ্যে নিষ্ঠুর প্রতিক্রিয়া দেখা গেছে। তৃণমূলের নিচু তলার কর্মীরা স্বতঃস্ফূর্তভাবে ভিড় করেছিলেন। তাদের অনেকেই মমতার কথায় চাঙ্গা হয়ে উঠেছেন। কিন্তু অন্য দিকে সাধারণ মানুষ আগের সরকারের দুর্নীতির কারণে বিতশ্রদ্ধ। তাদের অনেকেই খুব উগড়ে দিয়েছেন। তবে এবারে জমায়েত কম হবার খুশি শ্রীরামপুরের সাধারণ ব্যবসায়ী ও নাগরিকরা। তাদের দৈনন্দিন কাজে তেমন অসুবিধা ঘটেনি। অন্যদিকে মমতার সভায় যাওয়ার পথে আক্রান্ত হন কুনাল ঘোষ। ফলে উঠে এসেছে প্রতিহিংসা তত্ত্বও।


