কলকাতা: রাজনীতির ময়দানে দু’জনের ঝান্ডা আলাদা হলেও রুপোলী পর্দায় তাঁরা ‘বাবা-ছেলে’। ‘প্রজাপতি’ এবং ‘প্রজাপতি ২’ ছবিতে মিঠুন-দেবের কেমিস্ট্রি মন কেড়েছে সকলের। বর্তমানে অস্ত্রোপচার হয়েছে ‘মহাগুরু’ মিঠুন চক্রবর্তীর (Mithun Chakraborty)। বাইপাসের ধারে একটি বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসারত তিনি। তাঁকে দেখতেই হাসপাতালে ছুটে গেলেন অভিনেতা-সাংসদ দেব (Dev)। তারপর সোশ্যাল মিডিয়ায় আবেগঘন পোস্টও করেছেন ঘাটালের সাংসদ। অভিনেতা লেখেন, “তুমি সবসমই আমার কাছে বাবার মত। তোমার দ্রুত আরোগ্য কামনা করি”।
প্রসঙ্গত, মিঠুনের সঙ্গে দেবের সম্পর্ক বরাবরই রাজনীতির পরিচয়ের বাইরে। মিঠুন (Mithun Chakraborty) বিজেপির শিবিরে সক্রিয় হওয়ার পরও দেবের সঙ্গে তাঁর ব্যক্তিগত সম্পর্ক অটুট থেকেছে। বরং তৃণমূলের শাসনকালে মিঠুনের সঙ্গে ঘনিষ্ঠতার কারণে দলের অন্দরেই একাধিকবার সমালোচনার মুখে পড়তে হয়েছিল দেবকে। ‘মিঠুনপ্রীতি’ নিয়েও উঠেছিল নানা প্রশ্ন। কিন্তু সেই সমালোচনা তাঁদের সম্পর্কের পথে বাধা হয়ে দাঁড়ায়নি।
‘প্রজাপতি’-তে বাবা-ছেলে, পর্দার বাইরেও একই রসায়ন
দেব ও মিঠুনের সম্পর্কের রসায়ন সবচেয়ে বেশি নজর কেড়েছিল ‘প্রজাপতি’ ছবিতে। সেখানে বাবা-ছেলের ভূমিকায় দু’জনের অভিনয় দর্শকদের প্রশংসা কুড়িয়েছিল। ছবির সাফল্যের পর মিঠুনের (Mithun Chakraborty) সঙ্গে ভবিষ্যতে আরও কাজ করার ইচ্ছাও প্রকাশ করেছিলেন দেব।
সেই সময়ই ফের রাজনৈতিক কটাক্ষের মুখে পড়তে হয়েছিল তাঁকে। কিন্তু দেবের অবস্থান ছিল স্পষ্ট, ব্যক্তিগত সম্পর্ককে রাজনৈতিক পরিচয়ের মাপকাঠিতে বিচার করতে তিনি রাজি নন। দেব (Dev) একাধিকবার বলেছেন, “যে রাজনীতি সম্পর্ককে সম্মান দেয় না, সেই রাজনীতি আমি করি না।” তাঁর কাছে কাছের মানুষ এবং তাঁদের সঙ্গে সম্পর্কই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। কে কোন দল করেন বা কী রাজনৈতিক মতাদর্শে বিশ্বাস করেন, সেই প্রশ্ন তাঁর ব্যক্তিগত সম্পর্ক নির্ধারণ করে না বলেই জানিয়েছেন তিনি।


