Aaj India desk, কলকাতা: রক্ত(blood) রহস্য ঘনীভূত হচ্ছে বাংলায়। এর আগে পিপল্স ব্লাড ব্যাংক সহ কয়েকটি ব্লাড ব্যাংকের কাজে নিষেধাজ্ঞা আনা হয়েছে। অনৈতিকভাবে রক্ত বিক্রি করছিল তারা। উপহার সামগ্রী লোভ দেখিয়ে মানুষকে রক্ত দান করতে বাধ্য করেছিল। এবং পরিমাণের থেকে বেশি রক্ত টেনে নিয়েছিল শরীর থেকে। এবার স্কুল ছাত্ররাও বাদ পরলো না। বেআইনিভাবে তাদের শরীর টেনে নেওয়া হয়েছে। ঘটনাস্থল দূর্গাপুর। রক্ত নেওয়ার পাশাপাশি আধার কার্ডে জালিয়াতি করার অভিযোগ উঠেছে।
কি ঘটেছিল?
দুর্গাপুরের ইস্পাত নগরীর একটি বেসরকারি স্কুলের তিনজন নাবালক ছাত্রের শরীর থেকে রক্ত (blood) টেনে নেওয়া হয়েছে। তাদের বয়স ১২-১৩ বছর। মাত্র ২০০-৩০০ টাকার প্রলোভন দেখিয়ে বিধাননগরের একটি বেসরকারি হাসপাতালে তাদের নিয়ে যাওয়া হয়। অভিযোগ, রক্ত সংগ্রহের জন্য তাদের আধার কার্ড জালিয়াতি (ট্যাম্পারিং) করে বয়স ১৮ বছরের বেশি দেখানো হয়েছিল। জানা গেছে, ওই স্কুলেরই এক প্রাক্তন ছাত্র এর সঙ্গে জড়িত। সে এই চক্রের এজেন্ট হিসেবে কাজ করছিল। নতুন রক্তদাতা জোগাড় করার জন্য ১০০ টাকা করে কমিশন পাচ্ছিল ছেলেটি। শুধু তাই নয় রক্তপিছু নিজে ১,০০০ টাকা করে নিচ্ছিল বলে পুলিশের প্রাথমিক অনুমান।
কিভাবে ঘটনা সামনে এলো ?
স্কুলের প্রধান শিক্ষিকা কয়েকজন ছাত্রের থেকে বিষয়টি জানতে পারেন।এক ছাত্রের স্কুলব্যাগে ‘১৮+’ লেখা রক্তদানের (blood) সার্টিফিকেট পাওয়া যায়।এর পর অভিভাবকদের খবর দেন তিনি। অভিভাবকরা দুর্গাপুর থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। বেসরকারী হাসপাতালের মেডিকেল সুপার অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। তাঁর দাবি, তাদের কাছে যে নথি (আধার কার্ড) পেশ করা হয়েছিল, তাতে রক্তদাতাদের বয়স ১৮ বছরই ছিল। কেউ আধার কার্ড জালিয়াতি করে আনলে তা খালি চোখে ধরা হাসপাতালের পক্ষে সম্ভব নয়। আসানসোল-দুর্গাপুর পুলিশ কমিশনার প্রণব কুমার জানিয়েছেন, এর পেছনে কোনো সুসংগঠিত বড় চক্র কাজ করছে কি না, তা খতিয়ে দেখতে জোর কদমে তদন্ত চালানো হচ্ছে।


