নয়াদিল্লি: ককরোচ জনতা পার্টির আন্দোলনকে (CJP Protest) নাকি চিন, পাকিস্তানের মত বিদেশী শক্তি আর্থিক মদত করছে! গত কয়েকদিন ধরেই হোয়াটসঅ্যাপ ইউনিভার্সিটি, সোশ্যাল মিডিয়া এমনকি শসকদলের সমর্থকদের মুখেও শোনা গিয়েছে এই দাবী! এই আন্দোলনকে ঘিরে বিদেশি ফান্ডিং বা বিদেশি যোগের জল্পনার মাঝেই বড় বার্তা দিল বিদেশ মন্ত্রক (MEA)।
শুক্রবার সাংবাদিক বৈঠকে এই প্রসঙ্গে প্রশ্ন করা হলে বিদেশ মন্ত্রকের মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল স্পষ্ট জানান, “এই বিষয়ে আমার কাছে শেয়ার করার মতো কোনও তথ্য নেই।” ফলে আন্দোলনের (CJP Protest) সঙ্গে বিদেশি যোগের দাবি বা জল্পনা নিয়ে কেন্দ্রীয় কূটনৈতিক দফতরের তরফে আনুষ্ঠানিক কোনও দাবী সামনে এল না।
উল্লেখ্য, ৬ জুন ব্যঙ্গাত্মক রাজনৈতিক সংগঠন ককরোচ জনতা পার্টির নেতৃত্বে NEET প্রশ্নফাঁসের প্রতিবাদে আন্দোলনের (CJP Protest) সূচনা হয়। সংগঠনের প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দিপকে বিদেশ থেকে ভারতে ফেরার পর এই আন্দোলন শুরু করেন বলে সংগঠনের পক্ষ থেকে দাবি করা হয়েছে। পরে শিক্ষাবিদ ও আন্দোলনকারী সোনম ওয়াংচুক অনির্দিষ্টকালের অনশনে যোগ দেওয়ায় আন্দোলন আরও জোরদার হয়। ২৩ জুলাই তিনি অনশন প্রত্যাহার করেন।
বিগত ৩৬ দিন ধরে যন্তর মন্তরে আন্দোলনরত পড়ুয়াদের অন্যতম প্রধান দাবি ছিল, NEET প্রশ্নফাঁসের নৈতিক দায় স্বীকার করে তৎকালীন কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগ। সেই দাবী মেনে শনিবার পদত্যাগ করেন কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধান। সেইসঙ্গে সিজেপির সকল দাবী পূরণের লিখিত আশ্বাস দেয় কেন্দ্র। এরপর এদিন সন্ধ্যায় আন্দোলন প্রত্যাহার করে নেয় ককরোচ জনতা পার্টি।


