কলকাতা: নিট প্রশ্নফাঁস ইস্যুতে কালীঘাট তৃণমূলের (Kalighat TMC) মছিলে ধুন্ধুমার! ককরোচদের সমর্থনে পুলিশের অনুমতি না মেলার পরেও এবং হাই কোর্ট থেকেও স্বস্তি না পাওয়ার পর, নির্ধারিত কর্মসূচি অনুযায়ী পদ্মপুকুরে জমায়েত শুরু করেন তৃণমূল কর্মী-সমর্থকেরা।
বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। বিকেলে পদ্মপুকুরে পৌঁছন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee)। তাঁকে ঘিরে শুরু হয় স্লোগান, মিছিলের প্রস্তুতিও জোরদার হয়। অভিযোগ, পুলিশ বারবার এলাকা খালি করার নির্দেশ দিলেও তা মানতে রাজি হননি আন্দোলনকারীরা। পাল্টা পুলিশের বিরুদ্ধে বিক্ষোভ দেখাতে শুরু করেন কালীঘাট তৃণমূল (Kalighat TMC) নেতা-কর্মীরা।
Facebook Link: https://www.facebook.com/share/v/1KPLT1oC9w/
সেখান থেকে কুণাল ঘোষ, বৈশ্বানর চট্টোপাধ্যায়-সহ বেশ কয়েকজনকে প্রিজন ভ্যানে তুলে লালবাজারে নিয়ে যাওয়া হয়। ঘটনাস্থলে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। পুলিশের সঙ্গে চরম ধ্বস্তাধস্তি, বচসায় জড়িয়ে পড়েন কালীঘাট তৃণমূলের কর্মীরা। এরই মাঝ এক মহিলা পুলিশ কর্মীকে ধাক্কা মারতে দেখা যায় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে।
পুলিশি পদক্ষেপের তীব্র সমালোচনা করে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee) বলেন, “জুলুমবাজি করে কণ্ঠরোধ করার চেষ্টা করছে বিজেপি সরকার। নিটের প্রশ্নফাঁসের প্রতিবাদে আমরা ছাত্রদের পাশে ছিলাম, ভবিষ্যতেও থাকব। কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধান বাধ্য হয়েছেন ইস্তফা দিতে। ছাত্রদের আন্দোলনকে ভয় পেয়েছে। এ রাজ্যেও আমাদের প্রতিবাদকে ভয় পেয়ে আটকে দেওয়া হচ্ছে। আমি চুপ করে থাকার লোক নই।” ব্যাপক হট্টগোলের মাঝে এক কর্মীর স্কুটিতে বসে ঘটনাস্থল ছাড়েন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee)।
প্রসঙ্গত, নিট প্রশ্নফাঁস ইস্যু নিয়ে ককরোচ জনতা পার্টির আন্দোলনে পাশে থাকার বার্তা আগেও দিয়েছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সূত্র মারফত জানা গিয়েছে, আগামী সোমবার দিল্লিতে আন্দোলনকারীদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করতে পারেন তিনি। এদিকে শনিবার দুপুরে সিজেপির প্রথম দাবী মেনে ইস্তফা দিয়েছেন কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধান। তবে তৃণমূলের এই আন্দোলনে সামিল হওয়াকে রাজনৈতিক মহলের একাংশ বলছে, সুযোগকে কাজে লাগিয়ে মানুষের আস্থা জেতার আরও একবার চেষ্টা করছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।


