Aaj India Desk, নয়াদিল্লি: দিল্লির বুকে আবারও উত্তপ্ত আন্দোলনের আবহ। হাসপাতালের শয্যায় থাকলেও আন্দোলনের ময়দান ছাড়তে নারাজ পরিবেশকর্মী ও শিক্ষাবিদ সোনম ওয়াংচুক (Sonam Wangchuk) । সোমবার সফদরজং হাসপাতাল থেকেই তিনি হাসপাতালের মেডিক্যাল সুপারিন্টেনডেন্ট এবং কেন্দ্রীয় সরকারের উদ্দেশে একটি চিঠি পাঠিয়ে জানান, তাঁর শারীরিক অবস্থা এখন স্থিতিশীল। তাই তাঁকে সাময়িকভাবে হাসপাতাল থেকে ছেড়ে দিয়ে ‘চলো সংসদ’ কর্মসূচিতে অংশগ্রহণের অনুমতি দেওয়ার আবেদন করেন।
অন্যদিকে, কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রী জেপি নাড্ডার সঙ্গে সাক্ষাতের দাবিতে সংসদের দিকে এগোতে থাকেন আন্দোলনকারীরা। বিক্ষোভকারীদের অগ্রযাত্রা থামাতে দিল্লি পুলিশ কড়া পদক্ষেপ নেয়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে কাঁদানে গ্যাস ছোড়া হয়। পাশাপাশি সংসদ ভবনের সব প্রবেশদ্বার বন্ধ করে নিরাপত্তা আরও জোরদার করা হয়।
জানা গিয়েছে, আন্দোলনকারীরা বিজয় চক এলাকা পেরিয়ে সংসদ ভবনের প্রবেশপথের খুব কাছাকাছি পৌঁছে যান। এরপরই গোটা এলাকায় মোতায়েন করা হয় বিপুল সংখ্যক পুলিশ ও আধাসামরিক বাহিনী। জলকামান, ব্যারিকেড এবং ত্রি-স্তরীয় নিরাপত্তা বলয়ে ঘিরে ফেলা হয় সংসদ চত্বর।
সেই সময় সংসদের ভিতরে প্রধানমন্ত্রী, কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভার সদস্য, বিরোধী দলনেতা-সহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের সাংসদরা উপস্থিত ছিলেন। নিরাপত্তা বাহিনী কোনওরকম ঝুঁকি নিতে রাজি ছিল না বলেই গোটা এলাকায় কড়া নজরদারি চালানো হয়।
উল্লেখ্য, বিজয় চকের ঠিক পাশেই রয়েছে রাষ্ট্রপতি ভবন এবং কেন্দ্রীয় সরকারের একাধিক গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রকের দপ্তর। নিরাপত্তার কারণে সংসদ অধিবেশন চলাকালীন সাধারণ মানুষের প্রবেশ সেখানে সীমিত থাকে। শুধুমাত্র অনুমোদিত সংবাদমাধ্যমের প্রতিনিধি এবং নিরাপত্তারক্ষীদেরই ওই এলাকায় প্রবেশের অনুমতি দেওয়া হয়। এই পরিস্থিতিতে ওয়াংচুকের আবেদন এবং সংসদমুখী আন্দোলন—দুই মিলিয়ে রাজধানীর রাজনৈতিক আবহ আরও উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে।


