Aaj lndia Desk,হুগলি: রাজ্যে পালাবদলের পর একের পর এক তৃণমূল নেতার বিরুদ্ধে পুলিশি পদক্ষেপ ঘিরে রাজনৈতিক মহলে শুরু হয়েছে জল্পনা। এখনো পর্যন্ত সর্বশেষ গ্রেফতার হয়েছেন চুঁচুড়ার প্রাক্তন তৃণমূল বিধায়ক অসিত মজুমদার (Ashit Majumder)।
শনিবার সোনারপুরে তৃণমূল সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় (Abhishek Banerjee)- এর উপর হামলার ঘটনার প্রতিবাদে চুঁচুড়ায় বিক্ষোভ কর্মসূচিতে অংশ নেন তিনি। অভিযোগ, সেই বিক্ষোভ চলাকালীন পুলিশের সঙ্গে ধাক্কাধাক্কি ও উত্তেজনার সৃষ্টি হয়।
ওই ঘটনায় অসিত মজুমদার-সহ মোট ১০ জনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।এদিকে, দক্ষিণ দমদম পুরসভার ১১ নম্বর ওয়ার্ডের তৃণমূল কাউন্সিলর মৃন্ময় দাসও পুলিশের আওতায়। তাঁর বিরুদ্ধে তোলাবাজি, হুমকি এবং মারধরের অভিযোগ উঠেছে। নাগেরবাজার এলাকা থেকে তাঁকে গ্রেফতার করা হয় বলে পুলিশ সূত্রে খবর।
অন্যদিকে, বিধাননগর পুরসভার ৪০ নম্বর ওয়ার্ডের এক তৃণমূল কাউন্সিলরের স্বামী ভাস্কর সিন্হা রায়কে গ্রেফতার করা হয়েছে। তাঁর বিরুদ্ধে তোলাবাজি, মারধর এবং বাড়ি দখলের অভিযোগ রয়েছে। দক্ষিণ ২৪ পরগনার ফ্রেজারগঞ্জেও তৃণমূল নেতাকে ঘিরে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। তৃণমূল নেতা নজরুল মোল্লার বাড়ি থেকে বিপুল পরিমাণ ডিজেল উদ্ধার হয়েছে বলে দাবি পুলিশের। অভিযোগ, বেআইনিভাবে ৪৮ ব্যারেল ডিজেল মজুত রাখা হয়েছিল। ঘটনায় নজরুল মোল্লা পলাতক। তবে তাঁর দাদা আনারুল মোল্লাকে গ্রেফতার করা হয়েছে। পাশাপাশি তৃণমূলের অঞ্চল সভাপতি প্রসেনজিৎ জানাকেও আটক করেছে পুলিশ।
এছাড়া সাগরে সরকারি ত্রাণ সামগ্রী উদ্ধারের ঘটনায় চার তৃণমূল নেতাকে গ্রেফতার করা হয়েছে। ধৃতদের মধ্যে একজন পঞ্চায়েত সমিতির সদস্য বলে জানা গিয়েছে। অন্যদিকে, ভোট-পরবর্তী অশান্তির অভিযোগে মেদিনীপুর শহর তৃণমূলের প্রাক্তন সভাপতি বিশ্বনাথ পাণ্ডব, তাঁর ছেলে ও ভাইপোকেও গ্রেফতার করা হয়েছে। নদিয়ার নাকাশিপাড়াতেও পুরনো মামলায় গ্রেফতার হয়েছেন তৃণমূলের অঞ্চল সভাপতি জাহাঙ্গীর বিশ্বাস। সব মিলিয়ে রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে তৃণমূল নেতাদের বিরুদ্ধে ধারাবাহিক পুলিশি অভিযানে নতুন করে রাজনৈতিক উত্তাপ বাড়ছে।


