Aaj lndia Desk,কলকাতা: বর্তমানে দেশে বেকারত্ব একটা বড় সমস্যা। চাকরির আশায় প্রতিদিন হাজার হাজার তরুণ-তরুণী বিভিন্ন সংস্থা ও প্রতিষ্ঠানের দ্বারস্থ হচ্ছেন। এই পরিস্থিতির সুযোগ নিয়ে কিছু সংস্থা যুব সমাজকে বিভ্রান্ত করছে কি না, সেই প্রশ্নই এবার নতুন করে উঠে এসেছে SmartValue-কে ঘিরে।
সম্প্রতি সোশ্যাল মিডিয়ায় একটি ভিডিও ভাইরাল হয়েছে, যেখানে দেখা যায় এক তরুণী প্রকাশ্যে SmartValue-এর এক কর্মীকে প্রশ্ন করছেন কেন সাধারণ মানুষের কাছ থেকে ফোন নম্বর সংগ্রহ করা হচ্ছে। অভিযোগ, স্টেশন ও জনবহুল এলাকায় দাঁড়িয়ে পথচারী ও নিত্যযাত্রীদের কাছ থেকে বিভিন্ন অজুহাতে ব্যক্তিগত তথ্য ও ফোন নম্বর নেওয়া হচ্ছে। তবে কেন এই তথ্য সংগ্রহ করা হচ্ছে, সেই প্রশ্নের স্পষ্ট উত্তর দিতে দেখা যায়নি ওই কর্মীকে।
সোশ্যাল মিডিয়ায় একাধিক ব্যক্তি দাবি করেছেন, ফোন নম্বর সংগ্রহের পর তাঁদের সঙ্গে যোগাযোগ করে বিভিন্ন সেমিনার, ট্রেনিং বা কোর্সে যোগ দেওয়ার প্রস্তাব দেওয়া হয়। অভিযোগকারীদের দাবি, এসব কোর্সের জন্য ১০ হাজার থেকে ৩৫ হাজার টাকা পর্যন্ত নেওয়া হয়েছে। তবে সেই কোর্স বা সেমিনার ভবিষ্যতে চাকরি বা আয়ের ক্ষেত্রে কতটা কার্যকর, তা নিয়ে প্রশ্ন তুলছেন অনেকে।
তবে একাংশের দাবি, চাকরির স্বপ্ন দেখিয়ে বা ক্যারিয়ার গাইডেন্সের নাম করে যুবকদের আকৃষ্ট করা হচ্ছে।তবে প্রশ্ন থেকেই যাচ্ছে যদি সবকিছু স্বচ্ছ হয়, তাহলে সাধারণ মানুষের কাছ থেকে ফোন নম্বর সংগ্রহের প্রয়োজন কেন? জনসমক্ষে এই প্রক্রিয়া নিয়ে এত বিতর্কই বা কেন?
সোশ্যাল মিডিয়ায় এই বিষয় নিয়ে তুমুল আলোচনা চলছে। যদিও SmartValue-এর বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগগুলির সত্যতা নিয়ে প্রশ্ন থেকে যায় , তবুও যদি সমস্ত অভিযোগ সত্যি হয় তাহলে সরকার বা প্রশাসনের নজরে পড়া দরকার।
চাকরির সন্ধানে থাকা যুবকদের প্রতি বিশেষ পরামর্শ কোনো সংস্থার প্রস্তাবে সাড়া দেওয়ার আগে তার বৈধতা, ব্যবসায়িক মডেল এবং আর্থিক শর্তাবলি ভালোভাবে যাচাই করে নেওয়া উচিত।


