24 C
Kolkata
Friday, May 29, 2026
spot_img

হোল্ডিং সেন্টারে প্রায় ১০০ শিশু! মানবাধিকার নিয়ে বাড়ছে উদ্বেগ ?

Aaj India Desk, উত্তর ২৪ পরগনা: এই সপ্তাহের শুরুতেই পশ্চিমবঙ্গের একাধিক জেলায় রাতারাতি তৈরি হয়েছিল হোল্ডিং সেন্টার (Holding Center)। মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর নির্দেশ অনুযায়ী সেই হোল্ডিং সেন্টারগুলিতে অবৈধ অনুপ্রবেশকারীদের চিহ্নিত করে আটকও করা হয়েছিল। কিন্তু পশ্চিমবঙ্গের সীমান্তবর্তী বিভিন্ন জেলায় স্থাপিত হোল্ডিং সেন্টারগুলিতে আটক থাকা ব্যক্তিদের সংখ্যা সামনে আসতে শুরু হয়েছে অন্য চিন্তা।

কোথায় কতজন আটক রয়েছে ? 

সরকারি তথ্য অনুযায়ী, আটক থাকা ব্যক্তিদের মধ্যে পুরুষ ১৮২ জন, মহিলা ১০৯ জন এবং শিশু প্রায় ৯৫ জন। এদের মধ্যে উত্তর ২৪ পরগনার বসিরহাট পুলিশ জেলাতেই সর্বাধিক ৩৩৫ জনকে রাখা হয়েছে। বসিরহাট পুলিশ জেলার তিনটি হোল্ডিং সেন্টার (Holding Center) রয়েছে। টেন্টুলিয়া পথেরসাথী, চারঘাট ফ্লাড সেন্টার এবং মিডিয়া সুভাষনগর ফ্লাড সেন্টার। এর মধ্যে পুরুষ ১৪৮ জন, মহিলা ৯৯ জন এবং শিশু ৮৮ জন। অন্যদিকে বারুইপুর পুলিশ জেলায় ৫ জন, সুন্দরবন পুলিশ জেলায় ১ জন, দক্ষিণ দিনাজপুরে ৮ জন, বনগাঁয় ১ জন এবং বারাসতে ৩ জনকে রাখা হয়েছে। এছাড়াও কোচবিহারে ২ জন, মুর্শিদাবাদ পুলিশ জেলায় ১৯ জন, জঙ্গিপুরে ২ জন, কৃষ্ণনগরে ১ জন এবং মালদায় ৯ জন রয়েছেন।

শিশু সুরক্ষা নিয়ে বাড়ছে নজরদারি

শিশু অধিকার কর্মীদের একাংশের মতে, এত সংখ্যক শিশুর উপস্থিতি প্রশাসনের সামনে বড় মানবিক ও আইনি চ্যালেঞ্জ তৈরি করছে। শিশুদের স্বাস্থ্য, খাদ্য, নিরাপত্তা, মানসিক অবস্থা এবং পরিবার থেকে বিচ্ছিন্ন হওয়ার মতো বিষয়গুলি নিয়ে তারা প্রশ্ন তুলেছেন। শিশু কল্যাণ সংক্রান্ত সমস্ত সরকারি প্রোটোকল যথাযথভাবে মানা হচ্ছে কি না, তা নিয়েও চলছে বিতর্ক। সাথে পাচার চক্রের সক্রিয়তার আশঙ্কাও করেছেন তারা।

তালিকা অনুযায়ী, কমিউনিটি হল, ফ্লাড সেন্টার এবং কেরামতীর্থের মতো জায়গাগুলিকে হোল্ডিং সেন্টার (Holding Center) হিসেবে ব্যবহার করা হচ্ছে। ফলে দীর্ঘ সময় ধরে শিশুদের সেখানে রাখা হলে পর্যাপ্ত পরিকাঠামো, স্বাস্থ্যবিধি ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করা কতটা সম্ভব, তা নিয়েও আলোচনা শুরু হয়েছে।

প্রশাসনিক সূত্রে দাবি, প্রত্যেকটি কেন্দ্রে নিয়মিত পর্যবেক্ষণ চলছে এবং শিশু ও মহিলাদের জন্য আলাদা নজরদারির ব্যবস্থাও রাখা হয়েছে। তবে এত বড় সংখ্যক শিশু একই সঙ্গে বিভিন্ন কেন্দ্রে থাকার ঘটনায় সীমান্ত নিরাপত্তার পাশাপাশি মানবাধিকার ও শিশু কল্যাণের বিষয়টিও এখন আলোচনার কেন্দ্রে উঠে এসেছে।

আরও পড়ুন:

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

0FansLike
0FollowersFollow
0SubscribersSubscribe
- Advertisement -spot_img

আরও পড়ুন