Aaj India Desk,নয়াদিল্লি: হোয়াইট হাউস (White House)-এর সামনে হঠাৎ গুলির ঘটনায় ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়াল । প্রত্যক্ষদর্শীদের মতে, পেনসিলভেনিয়া অ্যাভেনিউ নর্থওয়েস্ট এলাকায় আচমকাই অজ্ঞাতপরিচয় ব্যক্তি এলোপাথাড়ি গুলি চালাতে শুরু করে। মুহূর্তের মধ্যে পুরো এলাকা আতঙ্কে কেঁপে ওঠে।
ঘটনার খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছায় স্থানীয় পুলিশ ও সিকিউরিটি বাহিনী। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে শুরু হয় তীব্র গুলির লড়াই। নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা সিক্রেট সার্ভিস এজেন্টরা পাল্টা ব্যবস্থা নেয়। কিছুক্ষণের মধ্যেই দুই পক্ষের মধ্যে ব্যাপক গুলি বিনিময় ঘটে। শেষ পর্যন্ত সিক্রেট সার্ভিসের পাল্টা গুলিতে গুরুতরভাবে আহত হয় ওই বন্দুকবাজ। ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয় বলে জানা যায়।
প্রাথমিকভাবে এই ঘটনার পেছনে কী উদ্দেশ্য ছিল তা স্পষ্ট নয়। তদন্ত শুরু করেছে ফেডারেল তদন্ত সংস্থা ও স্থানীয় প্রশাসন। গোটা এলাকা ঘিরে কড়া নিরাপত্তা বলয় তৈরি করা হয়েছে এবং কিছু সময়ের জন্য যান চলাচলও নিয়ন্ত্রণ করা হয়।
এর আগেও ওয়াশিংটন ডিসিতে একাধিক নিরাপত্তা সংক্রান্ত ঘটনা ঘটেছে। গত ৫ মে হোয়াইট হাউস সংলগ্ন এলাকায় গুলির ঘটনা ঘটেছিল, যা নিয়ে ব্যাপক উদ্বেগ তৈরি হয়। এছাড়া ২৬ এপ্রিল প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের নৈশভোজ চলাকালীন ওয়াশিংটনের একটি হোটেলে গুলির ঘটনা ঘটে, যেখানে তিনি অল্পের জন্য রক্ষা পান।
আরও একটি ঘটনা ২০২৪ সালের ১৩ জুলাই, যখন পেনসিলভানিয়ার বাটলারে নির্বাচনী জনসভায় ডোনাল্ড ট্রাম্পের উপর গুলি চালানো হয়। সেই ঘটনায় গুলি তার কান ছুঁয়ে বেরিয়ে যায় এবং নিরাপত্তারক্ষীদের দ্রুত পদক্ষেপে হামলাকারীকে হত্যা করা হয়।
বারবার এমন ঘটনার পুনরাবৃত্তিতে যুক্তরাষ্ট্রের উচ্চ নিরাপত্তা বলয় নিয়েও নতুন করে প্রশ্ন উঠছে বলে মনে করছেন অনেকে ।


