কলকাতা: পুজোর ঢাক শেষ হতেই পুরভোটের ঢাকে কাঠি! কলকাতা ও হাওড়া পুরসভা (KMC Election) দখলের লক্ষ্যে এবার শাসক শিবিরের প্রার্থী বাছাই থেকে নির্বাচনী রণকৌশল, সব কিছু নিয়েই চলছে কাটাছেঁড়া। আর তার মধ্যেই সবচেয়ে বড় প্রশ্ন, তৃণমূলের প্রাক্তন কাউন্সিলরদের কি পদ্মচিহ্নে লড়তে দেখা যাবে? দুর্নীতি ও তোলাবাজির অভিযোগে যাঁদের ঘিরে বিতর্ক রয়েছে, তাঁদের জন্য কি বিজেপির দরজা খোলা? ৪৪ জন প্রাক্তন কাউন্সিলরকে নিয়ে জল্পনার মাঝেই মুখ খুললেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য।
শুক্রবার সল্টলেকের বিজেপি কার্যালয়ে কেন্দ্রীয় নেতা সুনীল বনসলের নেতৃত্বে শুরু হয়েছে দু’দিনের বৈঠক। কলকাতা ও হাওড়ার পুরভোটে (KMC Election) কারা প্রার্থী হবেন, কীভাবে লড়াই হবে, তা নিয়েই আলোচনা চলছে। এরই মধ্যে তৃণমূলের একাধিক প্রাক্তন কাউন্সিলরের বিজেপির সঙ্গে যোগাযোগের জল্পনা ঘিরে রাজনৈতিক মহলে শুরু হয়েছে চর্চা।
তবে সেই জল্পনায় কার্যত জল ঢেলে দিয়েছেন শমীক। বৈঠক শেষে তাঁর দাবি, তৃণমূলের প্রাক্তন কাউন্সিলরদের তরফে বিজেপির কাছে আবেদন আসার কোনও খবর তাঁর কাছে নেই। তাঁর কথায়, বিজেপি একক শক্তিতেই তৃণমূলের বিরুদ্ধে নির্বাচনে লড়েছে। পাশাপাশি দলবদল নিয়েও কড়া বার্তা দিয়েছেন তিনি। শমীকের বক্তব্য, মানুষ জামা পরিবর্তনের জন্য ভোট দেয়নি। বিজেপি ২০২১ সালের নির্বাচন থেকে শিক্ষা নিয়েই পরবর্তী লড়াইয়ে নেমেছে।
অন্যদিকে, এনসিপিআইয়ের ভূমিকা নিয়েও জল্পনা রয়েছে। পুরভোটে তারা প্রার্থী দেবে, নাকি বিজেপিকে সমর্থন করবে, তা নিয়েও উঠছে প্রশ্ন।
এদিকে, আগামী ১৫ দিনের মধ্যে বিজেপির প্রার্থীদের প্রাথমিক তালিকা প্রকাশ হতে পারে বলে রাজনৈতিক মহলে জল্পনা ছড়িয়েছে। যদিও এ বিষয়ে মুখ খুলতে চাননি শমীক। তবে কলকাতা ও হাওড়ায় ভালো মেয়র দেওয়ার আশ্বাস দিয়েছেন তিনি।
- এখন দেখার, পুরভোটের প্রার্থী তালিকায় শেষ পর্যন্ত কারা জায়গা পান এবং তৃণমূলের প্রাক্তন কাউন্সিলরদের ঘিরে চলা জল্পনার অবসান কীভাবে হয়।


