Aaj India Desk, কলকাতা: নভেম্বরে কলকাতা ও হাওড়ায় পুরভোট (Municipal Election) হতে পারে, এমন সম্ভাবনাকে সামনে রেখেই প্রস্তুতি শুরু করেছে বিজেপি (BJP)। ভোটের আগে এখন দলের প্রধান লক্ষ্য, কারা প্রার্থী হবেন তা ঠিক করা। সেই কাজেই জোর দিয়েছে রাজ্য বিজেপি নেতৃত্ব।
দলীয় সূত্রে খবর, কলকাতা পুরভোটে প্রার্থী হওয়ার জন্য ১১ অক্টোবর থেকে ২৬ অক্টোবর পর্যন্ত আবেদন জমা নেওয়া হয়েছিল। সোমবার বিকেল পাঁচটায় সেই আবেদনের সময়সীমা শেষ হয়। এরপর মুরলীধর সেন লেনের দলীয় কার্যালয়ে জমা পড়া আবেদনপত্রগুলি সল্টলেকের অফিসে নিয়ে যাওয়া হয়। মঙ্গলবার কড়া নিরাপত্তার মধ্যে গাড়িতে করে হাজার হাজার আবেদনপত্র সেখানে পৌঁছয়।
সূত্রের খবর, কলকাতা পুরভোটে প্রার্থী হওয়ার জন্য ছ’হাজারেরও বেশি আবেদন জমা পড়েছে। শুধু ড্রপ বক্সেই নয়, দলের ইমেল এবং পুরভোটের দায়িত্বে থাকা নেতাদের কাছেও আবেদন পাঠিয়েছেন অনেকে। এখন সেই আবেদনপত্রগুলি প্রাথমিকভাবে যাচাই করা হচ্ছে। আবেদনকারীদের রাজনৈতিক পরিচিতি, এলাকায় গ্রহণযোগ্যতা এবং দলের কাজে তাঁদের ভূমিকা খতিয়ে দেখছেন জেলা ও মণ্ডল স্তরের নেতৃত্ব।
এখন সবচেয়ে বড় প্রশ্ন, শেষ পর্যন্ত কাদের প্রার্থী করবে বিজেপি? বিদায়ী তৃণমূল পরিচালিত পুরবোর্ডের প্রাক্তন কাউন্সিলরদের মধ্যে কেউ কি বিজেপির টিকিট পেতে পারেন? দলীয় সূত্রে খবর, তাঁদের মধ্যে কয়েকজনও প্রার্থী হওয়ার ইচ্ছা প্রকাশ করে আবেদন করেছেন।
অন্যদিকে, পুরভোটে জোট নিয়েও রাজনৈতিক মহলে আলোচনা শুরু হয়েছে। এনসিপিআই-এর সঙ্গে বিজেপির কোনও সমঝোতা হবে কি না, তা নিয়েও জল্পনা চলছে। তবে এই সম্ভাবনা উড়িয়ে দিয়েছেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি তথা সাংসদ শমীক ভট্টাচার্য। তাঁর বক্তব্য, অন্য কোনও দলের সঙ্গে জোট করার প্রয়োজন বিজেপির নেই। দলে তৃণমূলের প্রভাব বাড়তে দেওয়া হবে না বলেও স্পষ্ট করেছেন তিনি।
শমীকের দাবি, বিজেপি একাই লড়াই করে মানুষের সমর্থন নিয়ে কলকাতা ও হাওড়ায় পুরবোর্ড গঠন করবে। ফলে আবেদনকারীদের মধ্যে কারা শেষ পর্যন্ত প্রার্থী হওয়ার সুযোগ পান এবং জোট নিয়ে দলের অবস্থান কী থাকে, এখন সেদিকেই নজর রাজনৈতিক মহলের।


