Aaj India Desk, নয়া দিল্লি : নির্বাচন কমিশনের মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের বিরুদ্ধে সুপ্রিম কোর্টে আবেদন করলেন লোকসভার বিরোধী দলনেতা রাহুল গান্ধী (Rahul Gandhi)। ভোটে কারচুপি ও নির্বাচন কমিশনের ভূমিকা নিয়ে বিতর্কের মধ্যেই এই পদক্ষেপ ঘিরে রাজনৈতিক চাপানউতোর শুরু হয়েছে। অন্যদিকে, বিরোধীদের এই উদ্যোগের সমালোচনা করেছেন বিজেপি সাংসদ অনুরাগ ঠাকুর। তাঁর অভিযোগ, বিচারব্যবস্থার উপর চাপ তৈরির চেষ্টা করছে বিরোধী শিবির।
সুপ্রিম কোর্ট অভিযানের পরিকল্পনা
রবিবার বিরোধী জোট I.N.D.I.A-র তরফে সুপ্রিম কোর্ট অভিযান কর্মসূচির কথা ঘোষণা করা হয়েছিল। পরিকল্পনা ছিল, রাহুল গান্ধী (Rahul Gandhi), মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, অখিলেশ যাদব-সহ বিরোধী শিবিরের শীর্ষ নেতারা সুপ্রিম কোর্টে গিয়ে প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্তের সঙ্গে দেখা করবেন এবং একটি স্মারকলিপি জমা দেবেন।
তবে প্রধান বিচারপতি আগেই জানিয়ে দেন, বিরোধী নেতাদের জন্য সময় দেওয়া সম্ভব হবে না। যে বিষয়গুলি নিয়ে তাঁরা কথা বলতে চান, সেগুলি ইতিমধ্যেই সুপ্রিম কোর্টে বিচারাধীন এবং শুনানি চলছে বলেও জানানো হয়। আদালতকে রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডের মঞ্চ হিসেবে ব্যবহার করা উচিত নয় বলেও বার্তা দেওয়া হয়।
ভিড়ে আটকে রাহুল, সময়মতো পৌঁছনো হয়নি
বিপুল ভিড়ের কারণে নির্ধারিত সময়ে সুপ্রিম কোর্টে পৌঁছতে পারেননি রাহুল গান্ধী (Rahul Gandhi)। তবে আদালতে যাওয়ার কর্মসূচি ঘিরে রাজনৈতিক বিতর্কের মধ্যেই জ্ঞানেশ কুমারের বিরুদ্ধে আবেদন জমা দেওয়ার কথা সামনে এসেছে।
রাহুল গান্ধীর এই পদক্ষেপের সমালোচনা করেছেন বিজেপি সাংসদ অনুরাগ ঠাকুর। তাঁর অভিযোগ, বিরোধীরা বিচারব্যবস্থাকে ভয় দেখানোর চেষ্টা করছে। রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু ভোটে কারচুপির অভিযোগের প্রমাণ চেয়েছিলেন, আর সেই পরিস্থিতিতে রাহুল গান্ধী পিছিয়ে গিয়েছেন বলেও দাবি করেন তিনি। তাঁর বক্তব্য, “প্রমাণ চাইলে পালানো, আদালতে গেলে ভয় দেখানো , এতে রাহুল গান্ধীর দ্বিমুখীতা প্রমাণ হয়।” তবে এখনও পর্যন্ত এই মন্তব্যের পাল্টা কোনো জবাব দেননি রাহুল গান্ধী। এবার ভোটে কারচুপির অভিযোগ ও নির্বাচন কমিশনের ভূমিকা নিয়ে এই সংঘাত আগামী দিনে কোন দিকে মোড় নেয়, সেটাই দেখার।


