কলকাতা: মাত্র কয়েকদিন আগেই বিধানসভা নির্বাচনের প্রচারে তিনি দৃঢ়তার সঙ্গে বলেছিলেন, “আমি চাড্ডা নই যে চাড্ডি হয়ে যাব,” এবং ভোটে পরাজয়ের পরও মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পাশেই থাকার বার্তা দিয়েছিলেন। সেই সায়নী ঘোষই (Sayoni Ghosh) এখন বিদ্রোহী শিবিরে। সোমবার বিদ্রোহীদের গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকের আগে দিল্লি পৌঁছলেন সায়নী ঘোষ।
নয়াদিল্লি বিমানবন্দরে নামতেই তাঁকে ঘিরে ধরেন সাংবাদিকরা। দলবদল, বিদ্রোহী শিবিরে যোগদান এবং এনডিএকে সমর্থনের সম্ভাবনা নিয়ে একের পর এক প্রশ্ন ছুটে আসে তাঁর দিকে। সরাসরি কোনও উত্তর না দিলেও সায়নীর (Sayoni Ghosh) ইঙ্গিতপূর্ণ মন্তব্য, “সময় এলে সব বলে দেব”। সম্প্রতি তাঁকে কলকাতা বিমানবন্দরে মুখ ঢাকা অবস্থায় দেখে চেনাই যাচ্ছিল না।
বিদ্রোহী ব্লকে নাম লেখানর পর ছোট করে ছেঁটে ফেলেছেন চুল। সায়নী ঘোষের নতুন লুক দেখে সোশ্যাল মিডিয়াতেও শুরু হয় ট্রোলের বন্যা। অনেকেই বলেন, যে নেত্রীকে একসময় সাদা শাড়ি ও হাওয়াই চপ্পলে দেখা যেত, তিনি আজ মুখ ঢাকলেন কেন? কেউ কেউ আবার মজা করে লেখেন, “এটা কি নতুন রাজনৈতিক লুক, নাকি টলিউডের নতুন ছবির রিহার্সাল?” “ক্যামেরার সামনে বাইট দিতে যিনি স্বচ্ছন্দ, তিনি আজ ক্যামেরা দেখেই আড়ালে!” ওঠে এরকমই মন্তব্যের ঝড়।
ছাব্বিশের রায়ে মমতার ক্ষমতা যেতেই হুড়মুড়িয়ে ভেঙে পড়েছে তাঁর তৃণমূল কংগ্রেস। শনিবার বিদ্রোহী ব্লকে নাম লিখিয়েছেন সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায় বলে জানা গিয়েছে। এদিকে বিদ্রোহী ব্লকে সংসদের সংখ্যা ২০ থেকে ২২ হচ্ছে বলে জানিয়েছেন কাকলি ঘোষ। শুধু সায়নী (Sayoni Ghosh) নন, ইতিমধ্যেই দিল্লি পৌঁছে গিয়েছেন মালা রায়, দেব, জুন, কাকলি, বাপি হালদাররা। এখন সকলেরই নজর সোমবারের বৈঠকের দিকে।


