কলকাতা: কেন্দ্রীয় মন্ত্রী ভূপেন্দ্র যাদবের বাসভবনে বৈঠক শেষে আজই স্পিকার ওম বিড়লার কাছে যাওয়ার কথা আছে বিদ্রোহী তৃণমূল সাংসদদের। তার আগেই স্পিকারের কাছে হাজির হলেন ‘মমতাপন্থী’ সাংসদ কীর্তি আজাদ (Kirti Azad) ও সাগরিকা ঘোষ (Sagarika Ghosh)। সঙ্গে রয়েছে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের চিঠি। জানা গিয়েছে, বিদ্রোহী ব্লক করার কোনও আইনি বৈধতা নেই বলে স্পিকারকে জানিয়েছেন তাঁরা। সূত্রের খবর, লোকসভার স্পিকারের কাছে চিঠি দিয়ে সাগরিকা জানিয়েছেন, দল একটি অবিভাজ্য রাজনৈতিক সংগঠন এবং লোকসভার ভিতরে আলাদা গোষ্ঠী তৈরি করার কোনও সাংবিধানিক বা আইনি ভিত্তি নেই।
সাগরিকা ঘোষ (Sagarika Ghosh) বলেন, “আমরা স্পিকারকে চিঠি দিয়ে জানিয়েছি, তৃণমূল কংগ্রেস একটি অবিভাজ্য দল। লোকসভার ভিতরে আলাদা গোষ্ঠী তৈরি করা সংবিধানবিরোধী। সংবিধান বা আইন এ ধরনের পদক্ষেপের অনুমতি দেয় না।” তাঁর অভিযোগ, যারা তৃণমূল ভেঙে পৃথক গোষ্ঠী গঠনের চেষ্টা করছেন, তাঁদের পদক্ষেপ আইনবিরোধী এবং রাজনৈতিকভাবে অনৈতিক।
X Link: https://x.com/ANI/status/2066141184687480990
বিদ্রোহী সাংসদদের কড়া ভাষায় আক্রমণ করে সাগরিকা (Sagarika Ghosh) বলেন, “দল হারলেই সেই দল, সেই নেত্রী এবং সেই প্রতীককে ছেড়ে চলে যাওয়ার মানসিকতা আসলে নৈতিক দুর্বলতার পরিচয়। যে প্রতীক ও দলের টিকিটে জিতে এসেছেন, আজ সেই দলকেই ভাঙার চেষ্টা করছেন তাঁরা।”
পাশাপাশি কীর্তি আজাদ বলেন, “বিষয়টি অত্যন্ত স্পষ্ট। সুপ্রিম কোর্টের সাংবিধানিক বেঞ্চ এবং দশম তফশিলের ৪ নম্বর অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে যে, কোনো বিভাজন হতে পারে না। মহারাষ্ট্রে যা ঘটেছে, তা ভুল। তাই এ বিষয়ে আমরা একটি আবেদন নিয়ে এখানে এসেছি এবং স্পিকারের কাছে তা জমা দিয়েছি। আমরা সম্পূর্ণ আস্থাশীল যে, স্পিকার নিয়ম মেনেই পদক্ষেপ নেবেন, যেমনটা তিনি এখনও পর্যন্ত করে এসেছেন।”
লোকসভায় তৃণমূলের বিদ্রোহী সাংসদদের পৃথক ব্লক গঠন নিয়ে স্পিকারের কাছে যাওয়ার আগেই সাগরিকা ঘোষের (Sagarika Ghosh) এই মন্তব্য রাজনৈতিক লড়াইকে আরও তীব্র করে তুলেছে। এখন স্পিকার এই বিতর্কিত ইস্যুতে কী সিদ্ধান্ত নেন, সেদিকেই নজর রাজনৈতিক মহলের।


