33.9 C
Kolkata
Sunday, October 11, 2026
spot_img

অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের কালীঘাটের বাড়িতে ফের পুলিশ, এবার কী পদক্ষেপ

Aaj India Desk, কলকাতা : তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় (Abhishek Banerjee)-কে ঘিরে ফের তৎপর কলকাতা পুলিশ (Kolkata Police)। ক্যামাক স্ট্রিটে (Camac Street) তাঁর দফতরের বাইরে হোর্ডিং খোলাকে কেন্দ্র করে তৈরি হওয়া বিতর্কের জেরে রবিবার আবার কালীঘাটে (Kalighat) তাঁর বাসভবনে পৌঁছন শেক্সপিয়ার সরণী থানার (Shakespeare Sarani Police Station) পুলিশকর্মীরা। কলকাতা পুরসভার (Kolkata Municipal Corporation) অভিযোগের ভিত্তিতে দায়ের হওয়া মামলার সূত্রেই এই পদক্ষেপ বলে জানা গিয়েছে। এর আগে বুধবারও অভিষেকের বাড়িতে গিয়েছিল পুলিশ। কিন্তু তিনি সেখানে উপস্থিত না থাকায় সেদিন নোটিস দেওয়া সম্ভব হয়নি।

হোর্ডিং ঘিরে বিবাদ, কী ঘটেছিল ক্যামাক স্ট্রিটে?

ক্যামাক স্ট্রিটে (Camac Street) অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের (Abhishek Banerjee) দলীয় দফতরের বাইরে থাকা হোর্ডিং খোলাকে কেন্দ্র করেই গোলমালের সূত্রপাত। অভিযোগ, হোর্ডিং সরাতে গিয়ে বাধার মুখে পড়েন কলকাতা পুরসভার (Kolkata Municipal Corporation) কর্মীরা। ঘটনাস্থলে উপস্থিত পুলিশকর্মীদের সঙ্গেও বচসা হয়। পরিস্থিতি এমন পর্যায়ে পৌঁছয় যে পুলিশ ও পুরসভার কর্মীদের উপর হামলার অভিযোগ ওঠে। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে থানায় মামলা দায়ের হয়। পুরসভার তরফে করা অভিযোগের ভিত্তিতে দায়ের হওয়া মামলায় অভিষেককে নোটিস দেওয়ার উদ্যোগ নিয়েছে পুলিশ।

বুধবারের পর রবিবারেও কালীঘাটে পুলিশ

গত ৭ অক্টোবর অভিষেকের (Abhishek Banerjee) কালীঘাটের (Kalighat) বাসভবনে গিয়েছিলেন তদন্তকারী আধিকারিকেরা। কিন্তু সেই সময় তিনি কলকাতায় না থাকায় পুলিশের সঙ্গে তাঁর দেখা হয়নি। সূত্রের দাবি, তখন দিল্লিতে (Delhi) ছিলেন ডায়মন্ড হারবারের (Diamond Harbour) সাংসদ। তাই নোটিস দেওয়ার প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে রবিবার ফের তাঁর বাড়িতে যান পুলিশকর্মীরা। তবে এদিন নোটিস তাঁর হাতে তুলে দেওয়া গিয়েছে কি না, সে বিষয়ে নিশ্চিত তথ্য সামনে আসেনি।

দফতর খালি করার নোটিস নিয়ে আদালতে লড়াই

অভিষেকের (Abhishek Banerjee) ক্যামাক স্ট্রিটের (Camac Street) দফতর নিয়ে পৃথক আইনি জটিলতাও চলছে। সংশ্লিষ্ট সম্পত্তি খালি করার জন্য বাড়ির মালিকের পাঠানো নোটিসকে চ্যালেঞ্জ করে মামলা হয় কলকাতা হাই কোর্টে (Calcutta High Court)। পরে ডিভিশন বেঞ্চ মামলাটি সিটি সিভিল কোর্টে (City Civil Court) ফেরত পাঠায়। পুজোর ছুটি শেষ হয়ে আদালতের স্বাভাবিক কাজকর্ম শুরু হওয়ার পর ১৫ দিনের মধ্যে স্থিতাবস্থা সংক্রান্ত নির্দেশের বিষয়টি নিষ্পত্তি করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। ফলে একদিকে পুলিশি তদন্ত, অন্যদিকে দফতরের দখল নিয়ে আইনি লড়াই দুই বিষয়েই এখন নজর রাজনৈতিক মহলের।

আরও পড়ুন:

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

0FansLike
0FollowersFollow
0SubscribersSubscribe
- Advertisement -spot_img

আরও পড়ুন