Aaj India Desk, দক্ষিণ ২৪ পরগনা: মৃত তৃণমূল কর্মী (Dead TMC worker) সঞ্জুর বাড়িতে যাওয়ার কথা পুলিশ প্রশাসনকে আগেই জানানো হয়েছিল। ই-মেল (E-mail) করেও সফরের কথা জানানো হয় বলে দাবি করেন তৃণমূল সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় (Abhishek Banerjee)। কিন্তু ঘটনাস্থলে পৌঁছে তিনি অভিযোগ করেন, এত কিছু জানানো সত্ত্বেও সেখানে একটিও পুলিশি নিরাপত্তার দেখা মেলেনি।
আজ, সঞ্জুর বাড়িতে যাওয়ার পথে ও বাড়ির সামনে বিক্ষোভের মুখে পড়েন অভিষেক। সেখানে, তাঁকে লক্ষ্য করে ডিম ও জুতো, পাথর ছোড়া হয়। ধস্তাধস্তিতে তাঁর জামাও ছিঁড়ে যায়। সাদা জামায় ডিমের দাগ লেগে থাকা অবস্থাতেই তিনি সংবাদমাধ্যমের সামনে ক্ষোভ উগরে দেন।
অভিষেক বলেন, “ওরা আমাকে প্রাণে মারতে চায়। মেরে দিক। আমার মৃতদেহ উদ্ধার হোক এখান থেকে। কিন্তু আমি সঞ্জুর বৃদ্ধ বাবা-মাকে একা ফেলে চলে যাব না। যতক্ষণ না ফোর্স আসে, আমি এখানেই থাকব।” সঞ্জুর বাড়ির ভেতরে বসেও তিনি একই অবস্থানে অনড় থাকেন। তাঁর কথায়, “আমি চাইলে এখনই বেরিয়ে যেতে পারি। কিন্তু আমি চলে গেলে সঞ্জুর বাবা-মায়ের উপর আরও অত্যাচার হতে পারে। তাই নিরাপত্তা বাহিনী না আসা পর্যন্ত আমি কোথাও যাচ্ছি না।”
এই ঘটনার পর অভিষেক জানান, সোনারপুরের পরিস্থিতি নিয়ে তিনি আদালতের দ্বারস্থ হবেন। তাঁর বক্তব্য, “এই বিষয়টি নিয়ে হাইকোর্টের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি। প্রয়োজনে সুপ্রিম কোর্টেও যাব। দরকার হলে নিজেই মামলার আবেদনকারী হব। সংবিধান আমাকে সেই অধিকার দিয়েছে।”
উল্লেখ্য, এদিন ঘটনাস্থলে তাঁর সঙ্গে মাত্র দু’জন নিরাপত্তারক্ষী ছিলেন। তাঁদের দাবি, অত্যন্ত কঠিন পরিস্থিতির মধ্যে কোনও রকমে অভিষেককে বের করে আনা হয়েছে, ওই পরিস্থিতি থেকে। পরে সংবাদমাধ্যমের সামনেই আইসির সঙ্গে যোগাযোগ করে অতিরিক্ত বাহিনী পাঠানোর অনুরোধ জানানো হয়। শেষ পর্যন্ত কেন্দ্রীয় বাহিনী পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে এবং বিক্ষোভকারীদের সরিয়ে দেওয়ার ব্যবস্থা করে।


