Aaj lndia Desk, নয়াদিল্লি: দিল্লি হাইকোর্টের নির্দেশে সমাজকর্মী সোনম ওয়াংচুক(Sonam Wangchuk)-কে সফদরজং হাসপাতাল থেকে গুরুগ্রামের মেদান্তা হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়েছে। মঙ্গলবার সন্ধ্যায় তাঁকে অ্যাম্বুল্যান্সে করে সেখানে নিয়ে যাওয়া হয়। বর্তমানে তিনি বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের পর্যবেক্ষণে রয়েছেন। যদিও হাসপাতাল বদল হয়েছে, তবুও তাঁর অনশন এখনও অব্যাহত রয়েছে। বুধবার তাঁর অনশনের ২৫তম দিন হওয়ায় শারীরিক অবস্থার দিকে বিশেষ নজর রাখা হচ্ছে।
এদিকে রাজধানীতে NEET প্রশ্নপত্র ফাঁসের ঘটনাকে ঘিরে রাজনৈতিক উত্তেজনা অব্যাহত। রাজপথ থেকে সংসদ পর্যন্ত এই ইস্যুতে সরব বিরোধীরা। মঙ্গলবার সংসদ ভবনের সামনে রাহুল গান্ধি-সহ একাধিক বিরোধী নেতা বিক্ষোভে অংশ নেন। একই সময়ে যন্তর মন্তরেও প্রতিবাদ কর্মসূচি চলতে থাকে।
এর মধ্যেই মঙ্গলবার গভীর রাতে কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রী জে.পি. নাড্ডা এবং কেন্দ্রীয় মন্ত্রী জিতেন্দ্র সিং গুরুগ্রামের মেদান্তা হাসপাতালে গিয়ে সোনম ওয়াংচুকের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন। অনেকই মনে করছে সরকারের পক্ষ থেকে আলোচনার একটি উদ্যোগ হিসেবেই এই বৈঠককে দেখা হচ্ছে। তবে বৈঠকে কী আলোচনা হয়েছে, সে বিষয়ে এখনও আনুষ্ঠানিকভাবে কিছু জানানো হয়নি।
মেদান্তা হাসপাতাল সূত্রে জানা গিয়েছে, ইন্টারনাল মেডিসিন বিশেষজ্ঞ ডা. সুশীলা কাটারিয়ার নেতৃত্বে চিকিৎসক দল সোনম ওয়াংচুকের চিকিৎসার দায়িত্ব নিয়েছে। দিল্লি হাইকোর্টের নির্দেশ অনুযায়ী তাঁর শারীরিক অবস্থার উপর সার্বক্ষণিক নজর রাখার জন্য বিশেষজ্ঞদের একটি দল গঠন করা হয়েছে।
অন্যদিকে সফদরজং হাসপাতাল জানিয়েছে, আদালতের নির্দেশ মেনে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ৪০ মিনিটে তাঁকে ছাড়পত্র দেওয়া হয়। হাসপাতাল ছাড়ার সময় তাঁর রক্তচাপ, নাড়ির গতি-সহ গুরুত্বপূর্ণ শারীরিক সূচক স্থিতিশীল ছিল। তবে চিকিৎসকদের মতে, তাঁর প্যানসাইটোপেনিয়ার সমস্যা এখনও পুরোপুরি কাটেনি। পাশাপাশি রক্তে সিরাম পটাশিয়ামের মাত্রা ৩.৪ mEq/L থাকায় চিকিৎসকরা বিষয়টি নিয়েও সতর্ক নজর রাখছেন। ফলে আগামী কয়েকদিন তাঁর শারীরিক অবস্থার উপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হবে।


