Aaj India Desk, দক্ষিণ ২৪ পরগনা: সপ্তাহের শুরুতেই ছাত্র বিক্ষোভে (Student protest) উত্তপ্ত হয়ে উঠল ভাঙড় কলেজ (Bhangar College)। সোমবার কলেজে পরিচালন সমিতির নতুন সভাপতি তথা বিজেপি নেতা সায়ন্তন বসু (BJP Leader Sayantan Basu) পৌঁছতেই তাঁকে ঘিরে বিক্ষোভ দেখাতে শুরু করেন একাংশ পড়ুয়া। তাঁর বিরুদ্ধে একের পর এক ‘গো ব্যাক’ স্লোগান দিতে থাকেন। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে দ্রুত কলেজ চত্বরে পৌঁছয় বিশাল আকৃতির পুলিশ বাহিনী।
জানা গিয়েছে, এদিন কলেজের মূল গেটেই সায়ন্তন বসুকে আটকে দেন বিক্ষোভকারী পড়ুয়ারা। বেশ কিছুক্ষণ গাড়ির মধ্যেই অপেক্ষা করতে হয় তাঁকে। কলেজের ভিতরে এসএফআই ও আইএসএফ সমর্থক পড়ুয়ারা তাঁর বিরুদ্ধে স্লোগান দিতে থাকেন। অন্যদিকে, কলেজের বাইরে এবিভিপি সমর্থকরাও পাল্টা স্লোগান শুরু করেন। দুই পক্ষের স্লোগান-পাল্টা স্লোগানে মুহূর্তের মধ্যে উত্তপ্ত হয়ে ওঠে গোটা কলেজ চত্বর।
গত কয়েক দিন ধরেই ভাঙড় কলেজে ছাত্র রাজনীতি ঘিরে উত্তেজনা তৈরি হয়েছে। এর আগে দুই ছাত্র সংগঠনের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনাও ঘটে। সেই ঘটনায় দুই পক্ষের বেশ কয়েকজন পড়ুয়া আহত হন বলে খবর। সোমবার ফের আইএসএফ ও এবিভিপি সমর্থকদের মধ্যে কথা কাটাকাটি শুরু হয়। পরে তা হাতাহাতিতে গড়ায়।
এই ঘটনায় আইএসএফের বিরুদ্ধে অভিযোগ তোলে এবিভিপি। তাদের দাবি, আগামী দিনের কয়েকটি কর্মসূচি নিয়ে সংগঠনের সদস্যরা কলেজের দায়িত্বপ্রাপ্ত অধ্যাপিকার সঙ্গে কথা বলতে গিয়েছিলেন। সেই সময় বহিরাগতদের সঙ্গে নিয়ে আইএসএফ সমর্থকরা তাঁদের উপর হামলা চালায় বলে অভিযোগ এবিভিপির। কয়েকজন পড়ুয়াকে মারধর করা হয়েছে বলেও দাবি তাদের।
যদিও এবিভিপির এই অভিযোগ সম্পূর্ণ অস্বীকার করেছে আইএসএফ। তাদের দাবি, শান্ত কলেজে বাইরে থেকে বিজেপির কর্মী-সমর্থকদের এনে অশান্তি তৈরির চেষ্টা করছে এবিভিপি। সাধারণ পড়ুয়ারা এর প্রতিবাদ করতে গেলে তাঁদের উপরেই হামলা চালানো হয় বলে পাল্টা অভিযোগ আইএসএফের। পরিস্থিতি যাতে আর না বাড়ে, সেই কারণে ভাঙড় কলেজে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। কলেজ চত্বরে আপাতত পুলিশি নজরদারি বাড়ানো হয়েছে।


