Aaj India Desk, মুর্শিদাবাদ : রেজিনগর বিধানসভা উপনির্বাচনে পরাজয়ের মুখে আম জনতা উন্নয়ন পার্টির নেতা হুমায়ুন কবীরের (Humayun Kabir) ভবিষ্যৎ রাজনৈতিক অবস্থান নিয়ে শুরু হয়েছে তীব্র জল্পনা। ভোটের ফল প্রকাশের দিনই ২০২৯ সালের পর ভারত ছেড়ে চলে যাওয়ার ইচ্ছাপ্রকাশ করেছেন তিনি। তবে রাজনীতি থেকে অবসর নেওয়ার কথা সরাসরি ঘোষণা করেননি নওদার বিধায়ক।
রেজিনগর কেন্দ্র থেকে জয় পাওয়া নিয়ে যথেষ্ট আত্মবিশ্বাসী ছিলেন হুমায়ুন কবীর (Humayun Kabir)। কিন্তু উপনির্বাচনের গণনা শুরু হতেই তাঁর দল আম জনতা উন্নয়ন পার্টির প্রার্থী তথা তাঁর ছেলে গোলাম নবী আজাদ পিছিয়ে পড়তে থাকেন। অন্যদিকে, বিজেপি প্রার্থীর জয়ের ব্যবধান ক্রমশ বাড়তে থাকে। শেষ পর্যন্ত রেজিনগর হাতছাড়া হওয়ার পরেই হুমায়ুন জানান, ২০২৯ সাল পর্যন্ত তিনি ভারতে থাকবেন। তারপর দুবাইয়ে চলে যাওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে তাঁর। নিজের ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা সম্পর্কে হুমায়ুন বলেন, “২০২৯ পর্যন্ত ভারতে থাকব। ২৯-এর পরে ভারতবর্ষ থেকে চলে গিয়ে অন্য দেশে, ওই দুবাইয়ে থাকব। ১০ বছরের ভিসা নিয়ে দুবাই চলে যাব।” তাঁর এই বক্তব্যের পর প্রশ্ন উঠছে, নির্বাচনী ধাক্কার পর কি রাজনীতি থেকে দূরে সরে যাওয়ার কথা ভাবছেন তিনি? যদিও তাঁর মন্তব্যে অবিলম্বে রাজনীতি ছাড়ার কোনও স্পষ্ট ইঙ্গিত নেই।
মুর্শিদাবাদে বাবরি মসজিদ নির্মাণের উদ্যোগ নিয়েছেন হুমায়ুন কবীর (Humayun Kabir)। দুবাইয়ে চলে গেলে সেই প্রকল্পের কী হবে, তা নিয়েও প্রশ্ন ওঠে। জবাবে তিনি জানান, আপাতত তাঁর প্রধান কাজ বাবরি মসজিদ তৈরি করে দেওয়া। মসজিদের নির্মাণকাজ শেষ হলেই দুবাইয়ে যাওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে বলে স্পষ্ট করেছেন তিনি।
দুবাইয়ে চলে যাওয়ার কথা বললেও নির্বাচনী রাজনীতি থেকে পুরোপুরি সরে দাঁড়ানোর ইঙ্গিত দেননি হুমায়ুন। ২০২৯ সালের লোকসভা নির্বাচনেও লড়াইয়ের সম্ভাবনা উড়িয়ে দেননি তিনি। অধীর চৌধুরী ওই নির্বাচনে প্রার্থী হলে তাঁকে আরও একবার হারানোর ইচ্ছা প্রকাশ করেছেন হুমায়ুন। ফলে তাঁর রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ নিয়ে প্রশ্ন থাকলেও, ২০২৯ সালের নির্বাচন পর্যন্ত সক্রিয় থাকার ইঙ্গিত তাঁর বক্তব্যে স্পষ্ট।


