Aaj India Desk, কলকাতা: নন্দীগ্রাম ও রেজিনগর বিধানসভা কেন্দ্রের উপনির্বাচনকে ঘিরে তৎপরতা শুরু করেছে ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের (Ritabrata Banerjee) নেতৃত্বাধীন নব তৃণমূল। দুই কেন্দ্রে দলের হয়ে কারা ভোটে লড়বেন, সেই সিদ্ধান্ত নিতে আগামীকাল, বৃহস্পতিবার বৈঠকে বসছে দলের নেতৃত্ব। মূলত প্রার্থী বাছাই নিয়েই এই বৈঠকে আলোচনা হবে বলে জানা গিয়েছে।
প্রতীক নিয়েও অবস্থান স্পষ্ট করেছে নব তৃণমূল (Nabya Trinomul)। দল চাইছে, দ্রুত জোড়াফুল প্রতীক (Joraphool Symbol) নিয়ে নির্বাচন কমিশন সিদ্ধান্ত নিক। আপাতত জোড়াফুল প্রতীক নিয়েই উপনির্বাচনে লড়াই করার প্রস্তুতি নিচ্ছে তারা। তবে শেষ পর্যন্ত সেই প্রতীক না মিললে নির্দল প্রার্থী হিসেবে ভোটে নামার পরিকল্পনাও তৈরি রেখেছে দল।
নির্বাচন কমিশনের ঘোষণা অনুযায়ী, আগামী ৬ অক্টোবর নন্দীগ্রাম ও রেজিনগর বিধানসভা কেন্দ্রে উপনির্বাচন হবে। ফল প্রকাশ করা হবে ৯ অক্টোবর। ইতিমধ্যেই শুরু হয়ে গিয়েছে মনোনয়ন জমা দেওয়ার প্রক্রিয়া। ১৬ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত প্রার্থীরা মনোনয়ন জমা দিতে পারবেন। নব তৃণমূল সূত্রে খবর, আগামী ১৫ সেপ্টেম্বর দুই কেন্দ্রের প্রার্থীদের মনোনয়ন জমা দেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে।
এদিকে প্রার্থীর নাম এখনও ঘোষণা করেনি বামেরা। তবে নন্দীগ্রামে ইতিমধ্যেই প্রচার শুরু করে দিয়েছে তারা। অন্যদিকে, নন্দীগ্রামে বড় ব্যবধানে জয়ের ব্যাপারে আত্মবিশ্বাসী মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। তিনি জানিয়েছেন, জয়ের ব্যবধানের দিক থেকে নন্দীগ্রাম ও ফলতার মধ্যে প্রতিযোগিতা হতে পারে। তবে শেষ পর্যন্ত ব্যবধান কত হবে, তা ঠিক করবেন ভোটাররাই।
২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনে নন্দীগ্রামের পাশাপাশি ভবানীপুর থেকেও জয়ী হয়েছিলেন শুভেন্দু অধিকারী। পরে নিয়ম অনুযায়ী একটি কেন্দ্রের বিধায়ক পদ তাঁকে ছাড়তে হয়। তিনি নন্দীগ্রামের বিধায়ক পদ থেকে ইস্তফা দেন। এর আগে ২০২১ সালের বিধানসভা নির্বাচনেও নন্দীগ্রাম থেকেই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে হারিয়ে জয় পেয়েছিলেন শুভেন্দু।
অন্যদিকে, রেজিনগর কেন্দ্রেও তৈরি হয়েছে উপনির্বাচনের পরিস্থিতি। আম জনতা উন্নয়ন পার্টির নেতা হুমায়ুন কবীর ২০২৬ সালের নির্বাচনে রেজিনগর ও নওদা—দুই কেন্দ্র থেকেই জয়ী হয়েছিলেন। পরে তিনি নওদা কেন্দ্রের বিধায়ক পদটি রেখে রেজিনগর থেকে ইস্তফা দেন। ফলে রেজিনগরও বিধায়কহীন হয়ে পড়ে এবং সেখানেই এবার উপনির্বাচন হচ্ছে।


