Aaj India Desk , নয়া দিল্লি : প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীকে লক্ষ্য করে সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট ও ভিডিও সরানোর জন্য X-কে (পূর্বে টুইটার) ও অন্যান্য সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্মগুলিকে নোটিশ পাঠায় দিল্লি পুলিশ। একইসঙ্গে আপত্তিকর ও মানহানিকর পোস্টের অভিযোগে FIRও দায়ের করা হয়। এবার এই পদক্ষেপের তীব্র সমালোচনা করলো ককরোচ জনতা পার্টি (CJP)। তাদের দাবি, নির্বাচিত জনপ্রতিনিধিকে প্রশ্ন করা গণতান্ত্রিক অধিকার এবং সমালোচনাকে অপরাধ হিসেবে দেখানো মতপ্রকাশের স্বাধীনতার পরিপন্থী।
কী অভিযোগ পুলিশের?
গতকালই দিল্লি পুলিশ X-কে নির্দিষ্ট পোস্ট ও ভিডিও সরিয়ে দেওয়ার অনুরোধ করেছে। তাদের অভিযোগ, সোশ্যাল মিডিয়ার মাধ্যমে সংবিধানিক পদে থাকা ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে “অপমানজনক, বিদ্বেষমূলক ও মানহানিকর” কনটেন্ট ছড়ানো হয়েছে।
পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট অ্যাকাউন্টগুলির ব্যবহারকারীদের পরিচয়, লগ-ইন ও লগ-আউটের তথ্য, পোস্টের সময়, যোগাযোগের তথ্য এবং ই-মেল আইডিও চেয়েছে দিল্লি পুলিশ। তাদের তরফে ভবিষ্যৎ তদন্তের স্বার্থে ওই পোস্টগুলির তথ্য সংরক্ষণ এবং ভারতীয় সাক্ষ্য আইনের ৬৩(৪) ধারার অধীনে প্রয়োজনীয় শংসাপত্র দেওয়ার অনুরোধ জানানো হয়েছে।
কেন্দ্রের বিরুদ্ধে তীব্র সমালোচনা সিজেপির
এই ঘটনায় তীব্র প্রতিক্রিয়া দিয়েছে Cockroach Janata Party (CJP)। দলের বক্তব্য, একজন নির্বাচিত প্রধানমন্ত্রীকে প্রশ্ন করা নাগরিকদের সাংবিধানিক ও গণতান্ত্রিক অধিকার। CJP তাদের বিবৃতিতে দাবি করে, প্রধানমন্ত্রীকে ঘিরে সমালোচনামূলক পোস্ট সরানোর উদ্যোগ এবং FIR দায়েরের মাধ্যমে ভারতের সংবিধানে বর্ণিত মতপ্রকাশের স্বাধীনতার উপর চাপ সৃষ্টি করা হচ্ছে। তাদের প্রশ্ন, “একজন নির্বাচিত জনপ্রতিনিধি কি জনসমালোচনার ঊর্ধ্বে?” পাশাপাশি তারা অভিযোগ করেছে, অনলাইন সমালোচনাকে আইন-শৃঙ্খলার হুমকি হিসেবে দেখানো হলে তা গণতান্ত্রিক পরিবেশের জন্য উদ্বেগের বিষয়।
সাম্প্রতিক NEET প্রশ্নপত্র ফাঁসের ঘটনাকে কেন্দ্র করে দেশজুড়ে ছাত্র-যুব আন্দোলনের সময় প্রধানমন্ত্রীকে লক্ষ্য করে বিভিন্ন পোস্ট ও ভিডিও সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়ায়। সেই প্রেক্ষাপটেই দিল্লি পুলিশ এই পদক্ষেপ নেয়। তবে তা কতটা যথোপযুক্ত এবং কতটা আইনের ও অধিকারের পরিপন্থী তাই নিয়ে ক্রমশ বাড়ছে তরজা।


