Aaj India Desk, কলকাতা : বিধানসভা উপনির্বাচনকে কেন্দ্র করে বাংলার রাজনীতিতে নতুন করে উত্তেজনা তৈরি হয়েছে। রেজিনগর ও নন্দীগ্রাম দুই কেন্দ্রেই ভোটের প্রস্তুতি শুরু হয়ে গিয়েছে। এর মধ্যেই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee)-পন্থী তৃণমূল কংগ্রেস নিজেদের প্রার্থীদের নাম ঘোষণা করে দিয়েছে। এবার পাল্টা নজর ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায় (Ritabrata Bandyopadhyay)-শিবিরের দিকে। রাজনৈতিক মহলে জোর আলোচনা, সোমবারই কি এই দুই আসনের জন্য প্রার্থী ঘোষণা করবে ঋতব্রত শিবির?
জোড়াফুল প্রতীক নিয়ে দুই শিবিরের মধ্যে টানাপোড়েনের আবহেই এই প্রার্থী ঘোষণা যথেষ্ট গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। কারণ শুধু দুই কেন্দ্রের প্রার্থী নির্বাচন নয়, আসন্ন উপনির্বাচনে কোন শিবির কতটা সাংগঠনিক শক্তি নিয়ে মাঠে নামতে চলেছে, সেই ছবিও অনেকটা স্পষ্ট হয়ে যেতে পারে প্রার্থীদের নাম প্রকাশ্যে এলে।
রেজিনগরে কাকে বেছে নেবে ঋতব্রত শিবির?
রেজিনগর আসনে প্রার্থী নির্বাচন ঘিরে ইতিমধ্যেই রাজনৈতিক মহলে চর্চা শুরু হয়েছে। মমতা-পন্থী তৃণমূলের প্রার্থী ঘোষণার পর এবার ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের শিবিরের সিদ্ধান্তের দিকে তাকিয়ে রয়েছে সংশ্লিষ্ট মহল। শেষ মুহূর্তে কোন মুখকে সামনে আনা হয়, সেটাই এখন সবচেয়ে বড় প্রশ্ন।
নন্দীগ্রামেও বাড়ছে কৌতূহল
নন্দীগ্রাম এমনিতেই বাংলার রাজনীতিতে অত্যন্ত আলোচিত একটি বিধানসভা কেন্দ্র। তাই উপনির্বাচনে এখানে ঋতব্রত শিবিরের প্রার্থী কে হন, তা নিয়ে স্বাভাবিকভাবেই কৌতূহল তুঙ্গে। প্রার্থী ঘোষণার পর দুই শিবিরের রাজনৈতিক লড়াই কোন মাত্রা নেয়, সেদিকেও নজর থাকবে।
জোড়াফুলের লড়াই কি আরও জমবে?
দুই কেন্দ্রে প্রার্থী ঘোষণার পরই ভোটের অঙ্ক আরও পরিষ্কার হবে। বিশেষ করে জোড়াফুল প্রতীক নিয়ে চলা টানাপোড়েনের মধ্যে ঋতব্রত শিবিরের সিদ্ধান্ত রাজনৈতিকভাবে আলাদা তাৎপর্য বহন করছে। শেষ পর্যন্ত রেজিনগর ও নন্দীগ্রামে কারা টিকিট পান, এখন সেই ঘোষণার অপেক্ষাতেই রাজনৈতিক মহল।


