30 C
Kolkata
Friday, September 4, 2026
spot_img

জলবন্দি বাংলা, বন্যা মোকাবিলায় প্রস্তুত রাজ্য! DVC-কে ‘দরাজ সার্টিফিকেট’ মুখ্যমন্ত্রীর

Aaj India Desk, কলকাতা: টানা বৃষ্টিতে রাজ্যের একাধিক জায়গায় জল জমেছে (Waterlogging)। বিশেষ করে নিম্ন দামোদর উপত্যকার বেশ কিছু এলাকা জলমগ্ন হয়ে পড়েছে। পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগের মধ্যেই শুক্রবার জলসম্পদ ভবনে (WRIDD) জরুরি বৈঠক করেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। প্রায় এক ঘণ্টা ধরে চলা এই বৈঠকে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে বিভিন্ন জেলার জেলাশাসকদের সঙ্গে কথা বলেন তিনি। কোথায় পরিস্থিতি কেমন, কোথায় কী ধরনের সমস্যা তৈরি হয়েছে, তা জানতে চান মুখ্যমন্ত্রী। বৈঠকে ছিলেন সংশ্লিষ্ট দফতরের আধিকারিকরাও।

বৈঠকের পর সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে পরিস্থিতি নিয়ে সাধারণ মানুষকে আশ্বস্ত করেন মুখ্যমন্ত্রী। তিনি বলেন, প্রশাসনের তরফে প্রয়োজনীয় সব ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। তাঁর কথায়, ‘কন্ট্রোল রুম খোলা আছে, আমরা রিভিউ করলাম মালদা মানিকচকে ১৯টি গ্রাম ক্ষতিগ্রস্ত। সব ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে মানুষের যাতে সমস্যা না হয়। শেলটার, খাওয়ার ব্যবস্থা আছে।’

মুখ্যমন্ত্রী জানান, হাওড়ার আমতা, খানাকুল এবং হুগলির বেশ কিছু এলাকাতেও জল নিয়ে সমস্যা রয়েছে। খানাকুল ও উদয়নারায়ণপুরে জল বিপদসীমার কাছাকাছি রয়েছে বলেও জানান তিনি। তবে পরিস্থিতি ধীরে ধীরে নিয়ন্ত্রণে আসছে বলে দাবি তাঁর। জল ছাড়ার পরিমাণও কমানো হয়েছে বলে জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী।

জলবন্দি এলাকায় আর কী কী সমস্যা হতে পারে, সেদিকেও নজর রাখা হচ্ছে বলে জানান তিনি। বিশেষ করে জল বাড়লে সাপের উপদ্রব বাড়ার আশঙ্কা থাকে। সেই পরিস্থিতির জন্যও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা রাখা হয়েছে বলে জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী।

বন্যা পরিস্থিতি মোকাবিলায় রাজ্য কতটা প্রস্তুত, এদিন সেই বিষয়েও বার্তা দেন তিনি। ডিভিসির ভূমিকার প্রশংসা করে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, ‘DVC খুব ভালো কাজ করেছে। একটাও বাঁধ ভাঙেনি। মোকাবিলা করতে হবে। সেপ্টেম্বরের শেষে আর একটা বিপদ হতে পারে সমাধান করতে হবে। চ্যালেঞ্জ নিতে হয়।’

অতি ভারী বৃষ্টির মধ্যেও বাঁধগুলি ভেঙে না যাওয়াকে গুরুত্বপূর্ণ বলে উল্লেখ করেন মুখ্যমন্ত্রী। তিনি বলেন, ‘অতি ভারী বৃষ্টি ও প্রবল জলের চাপে কোনও বাঁধ ভেঙে যায়নি। তৃণমূল আমলে জুলাই-অগাস্ট মাসে বর্ষায় আগে অনেক বাঁধ ভেঙে যেত। বালির বস্তা ফেলে পরিস্থিতি আয়ত্বে আনার চেষ্টা হত।’

পাশাপাশি ডিভিসি জল ছাড়ার পরিমাণ কমিয়েছে বলেও জানান তিনি। তাঁর বক্তব্য, ‘ডিভিসি জল ছাড়া কমিয়েছে। দামোদমের বাঁধ না ভাঙায় স্বস্তি রয়েছে।’প্রশাসনের তরফে জলবন্দি মানুষকে প্রয়োজনীয় সাহায্য পৌঁছে দেওয়া হচ্ছে বলেই দাবি মুখ্যমন্ত্রীর। পরিস্থিতির উপর নজর রাখতে কন্ট্রোল রুমও চালু রাখা হয়েছে।

আরও পড়ুন:

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

0FansLike
0FollowersFollow
0SubscribersSubscribe
- Advertisement -spot_img

আরও পড়ুন