কলকাতা: পুজোর ঢাকে কাঠি পড়তেই থানায় হাজিরা! ক্যামাক স্ট্রিটের বিলবোর্ড বিতর্কে বুধবার সকালে শেক্সপিয়র সরণি থানায় পৌঁছে গেলেন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক তথা ডায়মন্ড হারবারের সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় (Abhishek Banerjee)। সঙ্গে আইনজীবী, সামনে একের পর এক প্রশ্ন, কিন্তু জবাব না দিয়েই থানার ভিতরে ঢুকে গেলেন তিনি!
একদিকে চতুর্থীর সকাল, অন্যদিকে ক্যামাক স্ট্রিটের বিলবোর্ড-কাণ্ড। পুজোর আবহেও রাজনৈতিক মহলের নজর আটকে রইল শেক্সপিয়র সরণি থানার দিকে। কারণ, নির্ধারিত সময় মেনেই পুলিশের ডাকে হাজির হলেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় (Abhishek Banerjee)।
ঘটনার সূত্রপাত ক্যামাক স্ট্রিটে তাঁর অফিসের বিলবোর্ড খোলাকে কেন্দ্র করে। গত ২৭ আগস্ট বিলবোর্ড সরাতে গিয়ে পুরকর্মী ও পুলিশের সঙ্গে অফিসের নিরাপত্তারক্ষীদের ধস্তাধস্তির অভিযোগ ওঠে। পুলিশ ও পুরকর্মীদের কাজে বাধা দেওয়া এবং তাঁদের হেনস্তার অভিযোগে কলকাতা পুরসভার তরফে মামলা দায়ের করা হয়। বিলবোর্ডটি বেআইনি বলে দাবি করেছিল পুরসভা। পরে সেটি খুলেও দেওয়া হয়।
এই মামলার তদন্তেই অভিষেককে (Abhishek Banerjee) থানায় হাজিরার নোটিস পাঠায় পুলিশ। প্রথমে সোমবার সকাল ১০টায় হাজিরা দিতে বলা হয়েছিল তাঁকে। কিন্তু নির্ধারিত সময়ে থানায় যাননি সাংসদ। তাঁর তরফে ইমেল করে ৪৮ ঘণ্টা সময় চাওয়া হয়। এরপর পুলিশ ফের তাঁর বাড়িতে গিয়ে বুধবার সকাল ১১টায় হাজিরার নোটিস দেয়।
সেই মতো বুধবার সকালে আইনজীবীকে সঙ্গে নিয়ে থানায় পৌঁছে যান অভিষেক (Abhishek Banerjee)। তবে থানার সামনে সাংবাদিকদের একাধিক প্রশ্নের মুখেও কোনও উত্তর দেননি তিনি। নীরবেই ঢুকে যান থানার ভিতরে।
বিলবোর্ড ঘিরে বিতর্ক, পুলিশের নোটিস, সময় চাওয়া, তারপর চতুর্থীর সকালে হাজিরা, ক্যামাক স্ট্রিট কাণ্ডে এবার তদন্তের পরবর্তী পদক্ষেপ কী? উত্তর খুঁজছে রাজনৈতিক মহল। তবে অভিযোগের সত্যতা এবং মামলার পরিণতি নির্ভর করবে তদন্ত ও আইনি প্রক্রিয়ার উপরই।


