Aaj India Desk, নয়াদিল্লি: উৎসবের মরশুমে আপাতত আন্দোলনে বিরতি। রাহুল গান্ধীর (Rahul Gandhi) বাসভবনে বিরোধী ‘ইন্ডি’ জোটের (India Alliance) বৈঠকে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। সূত্রের খবর, দুর্গাপুজো, নবরাত্রি ও দশেরার কথা মাথায় রেখেই আপাতত প্রতিবাদ (Protest) কর্মসূচি স্থগিত রাখছেন বিরোধীরা। দশেরা মিটলে ফের বৈঠকে বসে পরবর্তী আন্দোলনের রূপরেখা ঠিক করা হবে।
জানা গিয়েছে, তৃণমূল কংগ্রেসের তরফে দুর্গাপুজোর জন্য আন্দোলনে সাময়িক বিরতি দেওয়ার প্রস্তাব এসেছিল। অন্যান্য রাজ্যেও উৎসব চলায় সেই প্রস্তাব বিবেচনা করে আপাতত আন্দোলন স্থগিত রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। সূত্রের খবর, বিরোধী সাংসদ ও নেতাদের নিজেদের রাজ্যে ফিরে যেতে বলা হয়েছে। বৈঠক শেষে তৃণমূল সাংসদ মহুয়া মৈত্রকেও বেরিয়ে আসতে দেখা যায়। আজ রাতের বিমানেই কলকাতায় ফিরছেন তিনি।
এদিনের বৈঠক থেকে রাহুল গান্ধী স্পষ্ট করে দেন, আন্দোলনের মূল লক্ষ্য থেকে পিছিয়ে আসছে না বিরোধীরা। তাঁর কথায়, দেশের গণতন্ত্র ও সংবিধান রক্ষার জন্য সবাই একসঙ্গে লড়াই করছেন। যন্তর মন্তর ছিল গণতান্ত্রিক প্রতিবাদ জানানোর একটি গুরুত্বপূর্ণ জায়গা। কিন্তু সেই সুযোগও কেড়ে নেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ করেন তিনি। তবে এত সহজে আন্দোলন থামবে না বলেও জানান রাহুল। তাঁর বক্তব্য, সুপ্রিম কোর্ট, প্রধান বিচারপতি এবং বিচারব্যবস্থার উপর তাঁদের আস্থা রয়েছে। পাশাপাশি, রাজনৈতিক দল হিসেবে তাঁরা ছোট ছোট কর্মসূচির মাধ্যমে প্রতিবাদ চালিয়ে যাবেন।
প্রসঙ্গত, সোমবার দিল্লিতে চলা প্রতিবাদ নিয়ে সাংবাদিক বৈঠক করেছিলেন রাহুল গান্ধী। নির্বাচন কমিশনকে ঘিরে অভিযোগের প্রসঙ্গে তিনি জানান, কংগ্রেস সভাপতি মল্লিকার্জুন খাড়্গে এবং তিনি প্রধান বিচারপতিকে চিঠি লিখেছিলেন। সেই চিঠির জবাবে প্রধান বিচারপতি সুপ্রিম কোর্টে আবেদন জানানোর নির্দেশ দিয়েছেন বলে দাবি করেন রাহুল। এই বিষয়ে ‘ইন্ডি’ জোটের নেতারা একসঙ্গে সুপ্রিম কোর্টে গিয়ে আবেদন জমা দেবেন বলেও জানিয়েছিলেন তিনি। তবে আপাতত উৎসবের মরশুমের কারণে বড় আকারের প্রতিবাদ কর্মসূচিতে বিরতি। দশেরার পর বিরোধীদের পরবর্তী পদক্ষেপ কী হয়, এখন সেদিকেই নজর রাজনৈতিক মহলের।


