26.8 C
Kolkata
Thursday, August 6, 2026
spot_img

মাথার দাম ১৫ লক্ষ! শাহের বৈঠকের পরেই গ্রেপ্তার শঙ্কর-সহ তিন মাওবাদী নেতা!

Aaj India Desk, কলকাতা : ঝাড়খণ্ড পুলিশের অভিযানে এবার বড় সাফল্য। গ্রেপ্তার হলেন সিপিআই (মাওবাদী)-র মাও বাঙ্গা ব্রিগেডের তিন শীর্ষ নেতা। ধৃতদের মধ্যে রয়েছেন আঞ্চলিক কমিটির নেতা মদন মাহাতো ওরফে শঙ্কর, সাব-জোনাল কমান্ডার সাগর সিং ওরফে বীরেন এবং সাব-জোনাল কমিটির সদস্য মীরা পাহাড়িয়া ওরফে মিনা। তিনজনের মাথার দাম মিলিয়ে ছিল ২৫ লক্ষ টাকা। পুলিশ জানিয়েছে, সংগঠন পুনর্গঠনের চেষ্টা চালানোর সময় তাঁদের গ্রেপ্তার করা হয়েছে। (Maoist Arrest)

অমিত শাহের বৈঠকের পরেই তৎপরতা

সোমবার পশ্চিমবঙ্গ ও ঝাড়খণ্ড-সহ সাত রাজ্যের পুলিশ ডিজিদের সঙ্গে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের বৈঠকের পরই তৎপরতা বাড়ায় ঝাড়খণ্ড পুলিশ। প্রযুক্তিনির্ভর নজরদারি এবং মানব গোয়েন্দা সূত্র সক্রিয় করে একাধিক এলাকায় অভিযান শুরু হয়। (Maoist Arrest)

গোপন সূত্রে খবর পেয়ে গ্রেপ্তার

পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, মঙ্গলবার ভোরে সারাইকেলা-খারসাওয়ান জেলার কাণ্ডরা থানার উদয়পুর গ্রামে এক ব্যক্তির বাড়িতে যান সাগর সিং ওরফে বীরেন। গোপন সূত্রে খবর পেয়ে যৌথ বাহিনী গ্রামটি ঘিরে ফেলে এবং তাঁকে গ্রেপ্তার করে। বীরেনের কাছ থেকে একটি AK-47 রাইফেল, একটি ৯ এমএম পিস্তল, বিপুল পরিমাণ কার্তুজ এবং একটি ওয়াকি-টকি উদ্ধার হয়েছে বলে পুলিশের দাবি। (Maoist Arrest)

বীরেনকে জিজ্ঞাসাবাদের পর পুলিশ জানতে পারে, মদন মাহাতো এবং মীরা পাহাড়িয়া চাণ্ডিল থানার কন্দরবেরা গ্রামের গোপী পাহাড়িয়ার বাড়িতে আশ্রয় নিয়েছেন। এরপর পৃথক অভিযানে সেখান থেকে দু’জনকেও গ্রেপ্তার করা হয়।

গ্রেপ্তার হওয়া মদন মাহাতোর বাড়ি পশ্চিম মেদিনীপুরের শালবনি থানার কর্মাশোল গ্রামে। তিনি সিপিআই (মাওবাদী)-র আঞ্চলিক কমিটির নেতা বলে পুলিশ জানিয়েছে। তাঁর মাথার দাম ছিল ১৫ লক্ষ টাকা। অন্যদিকে, সারাইকেলা-খারসাওয়ানের নিমডি থানার বাসিন্দা বীরেন এবং পুরুলিয়ার বাঘমুন্ডি এলাকার বাসিন্দা মীরা পাহাড়িয়ার মাথার দাম ছিল ৫ লক্ষ টাকা করে।

মিসির বেসরা গ্রেপ্তারের পর পুনর্গঠনের চেষ্টা

সম্প্রতি সিপিআই (মাওবাদী)-র পলিটব্যুরো সদস্য মিসির বেসরা গ্রেপ্তার হওয়ার পর কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য অসীম মণ্ডল ওরফে আকাশ ৮ সদস্যের মাও বাঙ্গা ব্রিগেড নিয়ে পুরুলিয়া-ঝাড়গ্রাম সীমান্তবর্তী জঙ্গলে ফের সক্রিয় হন। পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, সংগঠনকে পুনর্গঠনের লক্ষ্যেই দলের সদস্যদের বিভিন্ন এলাকায় ছড়িয়ে দেওয়া হয়েছিল। আকাশ ও সচিন-সহ কয়েকজন পূর্ব ডালমা এলাকায় আত্মগোপন করেছিলেন বলেও তদন্তকারীদের অনুমান।

ঝাড়খণ্ড পুলিশের আশা, ধৃত তিন নেতাকে জিজ্ঞাসাবাদ করে পলাতক কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য অসীম মণ্ডল ওরফে আকাশ এবং তাঁর সহযোগী সচিনের অবস্থান সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য মিলতে পারে। সেই লক্ষ্যেই এখন জিজ্ঞাসাবাদ চলছে বলেও জানানো হয়েছে।

আরও পড়ুন:

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

0FansLike
0FollowersFollow
0SubscribersSubscribe
- Advertisement -spot_img

আরও পড়ুন