Aaj India desk, কলকাতা: বিধানসভা নির্বাচনের আগে নজরে ছিল ফলতা বিধানসভা কেন্দ্র। তৃণমূলের সর্বভারতীয় সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের লোকসভা কেন্দ্রের অন্তর্গত এই কেন্দ্র থেকে ভোটারদের ভয় দেখানোর অভিযোগ উঠছিল প্রার্থী জাহাঙ্গীর খানের (jahangir khan) বিরুদ্ধে। ময়দানে নেমেছিলেন উত্তরপ্রদেশের এনকাউন্টার বিশেষজ্ঞ আইপিএস অফিসার অজয় পাল শর্মা। পুষ্পা বনাম সিংহমের টক্করের পরেও বিপুল হারে ভোট চুরির অভিযোগ ওঠে ফলতায়। ফলে পুনর্নির্বাচন ঘোষণা করে নির্বাচন কমিশন। কিন্তু সেই নিবার্চনের আগেই সরে দাঁড়ান প্রার্থী জাহাঙ্গীর খান। এবার জাহাঙ্গীরের বিরুদ্ধে মুখ খুলেছেন এলাকাবাসী।
এলাকাবাসীর দাবি কি?
স্থানীয় বাসিন্দা থেকে শুরু করে বুথ স্তরের কর্মীদের একাংশের অভিযোগ জাহাঙ্গীর (jahangir khan) ও তাঁর বাহিনী দীর্ঘদিন ধরে ভয় দেখিয়ে এলাকার মানুষকে নিজেদের গণতান্ত্রিক অধিকার প্রয়োগ করতে দেয়নি। এবং তাঁদের বুথে গিয়ে ভোট দিতে দেওয়া হতো না।কেউ যদি বিরোধীতা করার চেষ্টা করত বা অবাধ্য হতে চাইতো, তাহলেই সাধারণ মানুষের বিদ্যুৎ ও জলের লাইন কেটে দেওয়া হতো।এলাকায় জাহাঙ্গীরের মদতে বিরোধী কর্মীদের মারধর, হুমকি ও জোর করে জমি দখলের মতো বহু ঘটনাও ঘটেছে বলে স্থানীয়দের দাবি। ক্ষুব্ধ বাসিন্দারা এলাকায় জাহাঙ্গীর খান ও তাঁর দলবলকে অবিলম্বে গ্রেফতার করার দাবি তুলেছেন।
রাজ্যে তৃণমূল সরকার ক্ষমতায় থাকাকালীন বারবার এরকম জোর জুলুমের অভিযোগ উঠেছে। কখনও শাহজাহান কখনও জাহাঙ্গীরের (jahangir khan)রাজ্যোপাটের উপর ভর করেই ক্ষমতায় এসেছে তৃণমূল। বিজেপি সরকারের আমলে জাহাঙ্গীররা ঝুঁকতে বাধ্য হয়েছে। তৃণমূলের যদিও অভিযোগ তাদের কর্মীদের ভয় দেখানো হচ্ছে, তাই তারা বাধ্য হচ্ছে দল ত্যাগ করতে। ফলে সাধারণ মানুষও নির্ভয়ে বক্তব্য পেশ করতে পারছে।


