কলকাতা: বৃহস্পতিবার থেকেই শিরোনামে ক্ষুদিরাম অনুশীলন সমিতির স্ট্রংরুম (EVM Strong Room)। ওইদিন অনুশীলন কেন্দ্রের গেটের বাইরে ধর্নায় বসেছিলেন বেলেঘাটার তৃণমূল প্রার্থী কুণাল ঘোষ ও শ্যামপুকুরের প্রার্থী শশী পাঁজা। যার কিছুক্ষণের মধ্যেই দক্ষিণ কলকাতার সাখাওয়াত মেমোরিয়াল স্কুলে অবস্থিত গণনাকেন্দ্রের স্ট্রংরুমে পৌঁছে যান বিদায়ী মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তার ঠিক পরের দিন অর্থাৎ শুক্রবার আঁটসাঁট নিরাপত্তায় মুড়ে ফেলা হয় ক্ষুদিরাম অনুশীলন সমিতির স্ট্রংরুম (EVM Strong Room)।
এর আগে স্ট্রংরুমের ভিতর ‘গতিবিধির’ অভিযোগে সরব হয়েছিল ঘাসফুল শিবির। এবার অভিযোগ উঠল ক্ষুদিরাম অনুশীলন সমিতির স্ট্রংরুমের রিটার্নিং অফিসারের বিরুদ্ধে। জানা গিয়েছে, ক্ষুদিরাম অনুশীলন কেন্দ্রে থাকা স্ট্রংরুমের (EVM Strong Room) রিটার্নিং অফিসারের বিরুদ্ধে বিধি ভেঙে পোস্টাল ব্যালট বাছাই-এর অভিযোগ তুলেছে তৃণমূল। এর প্রেক্ষিতে কমিশনে নালিশ জানিয়ে হস্তক্ষেপের দাবীও জানিয়েছে তারা। যদিও নির্বাচন কমিশনের পক্ষ থেকে অভিযোগ অস্বীকার করা হয়েছে। কমিশন জানায়, সংশ্লিষ্ট বিধানসভাগুলির প্রার্থীদের পোস্টাল ব্যালট সংক্রান্ত কাজের বিষয়ে আগেই ইমেলের মাধ্যমে অবহিত করা হয়েছিল।
উল্লেখ্য, বৃহস্পতিবার ধর্নায় বসে কুণাল ঘোষ, শশী পাঁজা দাবী করেন, দলের কোনও প্রার্থী বা কর্মীর উপস্থিতই ছাড়াই ইভিএম খোলা হচ্ছে। এই ঘটনার কিছুক্ষণের মধ্যেই ভবানীপুর আসনের গণনা কেন্দ্র সাখাওয়াত মেমোরিয়াল স্কুলে পৌঁছে যান মমতা (Mamata Banerjee) । তিনি ভেতরে গেলে বাইরে তৃণমূলের একটি গাড়ি ভেতরে ঢুকলে বিজেপি কর্মী সমর্থকদের বিক্ষোভে ধুন্ধুমার পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়। পুলিশ কেন ওই গাড়ি ঢুকতে দিয়েছে, প্রশ্ন তুলে বিক্ষোভ দেখাতে শুরু করে বিজেপি। পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। কেন্দ্রীয় বাহিনীর তৎপরতায় তা নিয়ন্ত্রণে আনা হয়।


