Aaj India desk, লখনউ: বিবাহবিচ্ছেদ মামলায় ঐতিহাসিক রায় দিল এলাহাবাদ হাইকোর্ট (high court)।সম্প্রতি এক মহিলার ভরণপোষণের আবেদন খারিজ করে দিয়ে তারা জানিয়েছে উপার্জন করতে সক্ষম কোনো যোগ্য ব্যক্তি স্বামীর উপর বোঝা চাপানোর উদ্দেশ্যে ভরণপোষণ নিতে চান, সেখানে আদালত (high court)ভরণপোষণ দিতে অস্বীকার করতে পারে।তবে সন্তানদের ভরণপোষণ দিতে স্বামী বাধ্য থাকবেন।
মামলা কোন পথে
এক নিউরোসার্জন প্রথমে বিবাহবিচ্ছেদের মামলা দায়ের করেন। সেই মামলার সূত্রে তাঁর স্ত্রীরোগবিশেষজ্ঞ স্ত্রী ১৯৫৫ সালের হিন্দু বিবাহ আইনের ২৪ এবং ২৬ ধারা অনুযায়ী ভরণপোষণের জন্য একটি আবেদন দাখিল করেন।স্ত্রীর আইনজীবী এলাহাবাদ হাইকোর্টে (high court)যুক্তি দেন যে, বিবাহবিচ্ছেদের মামলা দায়ের করার পর মহিলাকে তার কর্মস্থল থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়। পাশাপাশি দাবী করা হয় যে আগে তিনি যে জীবনযাত্রার মান উপভোগ করতেন, তা বজায় রাখতে স্বামীর কাছ থেকে ভরণপোষণ পাওয়ার অধিকার তার রয়েছে। অন্যদিকে স্বামীর আইনজীবী এর বিরোধিতা করে যুক্তি দেন যে তাঁর মক্কেলের স্ত্রী একজন প্রশিক্ষিত ও বিশেষজ্ঞ স্ত্রীরোগ বিশেষজ্ঞ, যিনি তাঁর মক্কেলের চেয়ে বেশি উপার্জন করেন। প্রমাণস্বরূপ মহিলার আয়কর রিটার্ন (আইটিআর) পেশ করা হয়। তাতে দেখা যায় যে তিনি বছরে ৩১ লক্ষ টাকারও বেশি আয় করেন।অন্যদিকে স্বামীর আয় বছরে ১১ লক্ষ টাকা।
আদালতের পর্যবেক্ষন
বিচারপতি অতুল শ্রীধরন ও বিবেক শরণের সমন্বয়ে গঠিত বেঞ্চ সমস্ত তথ্যপ্রমাণ খতিয়ে দেখে মহিলার করা আপিলটি খারিজ করে দেয়।শুরুতেই আদালত (high court) উল্লেখ করে যে মামলাকারিণী এমডি (গাইনোকোলজি) ডিগ্রিধারী একজন প্রশিক্ষিত স্ত্রীরোগ বিশেষজ্ঞ।আদালত আরও উল্লেখ করে যে, তিনি যথেষ্ট ভালো উপার্জন করতে সক্ষম। আদালত (high court) মহিলাটির আইনজীবীর যুক্তি প্রত্যাখ্যান করে বলে তিনি কর্মরত নন এটা পুরো মিথ্যে কথা। তবে ২৪ (স্বামী/স্ত্রীর ভরণপোষণ) নম্বর ধারার অধীনে করা আবেদনটি খারিজ করা হলেও ২৬ (সন্তানদের হেফাজত) নং ধারার অধীনে করা সন্তানদের ভরণপোষণের আবেদনটি মঞ্জুর করেছে আদালত।


