33 C
Kolkata
Friday, April 24, 2026
spot_img

বাংলার ভোটের হার দেখে খুশি প্রধান বিচারপতি! কি বললেন তিনি?

Aaj India Desk, নয়াদিল্লি: পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনের প্রথম দফায় নজির গড়েছে ভোটদানের হার। ২০১১ সালের রেকর্ড ভেঙে ২০২৬ সালে প্রথম দফায় ৯০ শতাংশের বেশি ভোট পড়েছে। এই বিপুল ভোটের হার নিয়ে উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী, মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়-সহ প্রায় সব রাজনৈতিক দলই।

এইবার বাংলার ভোটের হার নিয়ে সন্তোষ প্রকাশ করলেন সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্তও। বৃহস্পতিবার সুপ্রিম কোর্টে এসআইআর মামলার শুনানির সময় তিনি বলেন, “দেশের একজন নাগরিক হিসেবে পশ্চিমবঙ্গের ভোটের হার দেখে আমি খুব খুশি।” তাঁর আরও মন্তব্য, “মানুষ যখন নিজেদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করেন, তখন গণতন্ত্র আরও শক্তিশালী হয়।”

এদিন আদালতে ট্রাইব্যুনালে নাম সংক্রান্ত মামলার নিষ্পত্তি নিয়েও আলোচনা হয়। প্রধান বিচারপতি জানান, এই বিষয়ে আবেদন জানাতে হলে কলকাতা হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতির কাছে যেতে হবে।

রাজ্যের ভোটের হার নিয়ে আদালতে প্রথমে বিষয়টি তোলেন তৃণমূল সাংসদ ও আইনজীবী কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি দাবি করেন, “ট্রেনে করে বহু পরিযায়ী শ্রমিক ভোট দিতে ফিরেছেন। কোথাও হিংসার ঘটনা হয়নি।” তাঁর বক্তব্যকে সমর্থন করেন সলিসিটর জেনারেল তুষার মেহেতা। তিনি বলেন, “নিরাপত্তা বাহিনী খুব ভালো কাজ করেছে। ৯২ শতাংশ ভোট পড়া ঐতিহাসিক ঘটনা।” এরপর বিচারপতি জয়মাল্য বাগচী মন্তব্য করেন, “রাজায় রাজায় যুদ্ধ হয়, উলু খাগড়ার প্রাণ যায়।”

শুনানির মাঝে হালকা মেজাজও দেখা যায় আদালতে। কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় ৪ মে কমিশনের আইনজীবী ডি এস নাইডুকে নিজের বাড়িতে ডিনারের আমন্ত্রণ জানান। তখন মজা করে বিচারপতি বাগচী বলেন, “আগে হলে আমি দায়িত্ব নিতাম।” এদিনের শুনানিতে মূল জোর ছিল ট্রাইব্যুনালের কাজের গতি নিয়ে। কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, ২৭ লক্ষ মামলার মধ্যে এখনও পর্যন্ত মাত্র ১৩৯টি মামলার নিষ্পত্তি হয়েছে। সামনে নির্বাচনের শেষ দফা রয়েছে, তাই দ্রুত শুনানি ও নিষ্পত্তি প্রয়োজন।

এরপর প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্ত জানান, ১৩ এপ্রিলের নির্দেশে আদালত বেশ কিছু বিষয়ে আগেই নির্দেশ দিয়েছে। তবে প্রতিদিনের শুনানিতে নতুন কিছু সমস্যা সামনে এলে, তা নিয়ে কলকাতা হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতি বা ট্রাইব্যুনালের কাছে আবেদন করা যেতে পারে।‌ তিনি আরও বলেন, যাঁদের নাম অন্যায়ভাবে বাদ গিয়েছে বলে মনে হচ্ছে, তাঁদের বিষয় দেখার জন্য ট্রাইব্যুনালকে আগেই নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। যদি জরুরি শুনানির প্রয়োজন হয়, তাহলে কলকাতা হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতির দ্বারস্থ হতে হবে।

 

 

আরও পড়ুন:

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

0FansLike
0FollowersFollow
0SubscribersSubscribe
- Advertisement -spot_img

আরও পড়ুন