Aaj India Desk,কলকাতা: বিধানসভা নির্বাচনের প্রথম দফার ভোটগ্রহণ প্রক্রিয়া গতকাল সম্পন্ন হয়েছে। ভোট শেষ হতেই রাজনৈতিক মহলে শুরু হয়েছে হিসাব-নিকাশের জোর লড়াই। কোন দলের ভোটব্যাঙ্ক কতটা শক্তিশালী তা নিয়ে ইতিমধ্যেই শাসক ও বিরোধী শিবিরে চলছে তুমুল আলোচনা। রাজনৈতিক নেতাদের মধ্যে শুরু হয়েছে দরকষাকষি ও সম্ভাব্য আসন সংখ্যার হিসেব – নিকেশ । সাংবাদিক বৈঠকে নিজেদের সম্ভাব্য জয়ের অঙ্কও প্রকাশ্যে তুলে ধরছে অমিত শাহ ।এই সম্ভাব্য ফলাফল ঘিরে সোশ্যাল মিডিয়াতেও চলছে তর্ক-বিতর্কের ঝড়। কে কত আসন পাবে, কোন দল এগিয়ে তা নিয়ে চলছে লাগাতার জল্পনা। এরই মধ্যে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ (Amit Shah) -এর সাংবাদিক বৈঠকের মন্তব্য আরও উত্তাপ বাড়িয়েছে রাজনৈতিক পরিবেশে। তাঁর বক্তব্যকে ঘিরে নতুন করে জল্পনা তৈরি হয়েছে, যা ভোট-পরবর্তী পরিস্থিতিকে আরও চর্চার কেন্দ্রে নিয়ে এসেছে।
“যে পরিমাণ মানুষের সমর্থন ছিল কাল ভোটে সেই অঙ্ক প্রমাণ করেছে মানুষ পরিবর্তন চাইছে , এই বাংলা নেতাজির, স্বামীজির খুব তাড়াতাড়ি মোদী জি এই মাটিতে পা রাখবেন , জয় আমাদের নিশ্চিত , আমাদের দলীয় অন্দরমহলের সার্ভে বলছে কালের ১৫২ আসনের মধ্যে যে ভোট ইতিমধ্যেই সম্পন্ন হয়েছে সেখানে আমাদের ১১০ আসনে জয় লাভ করব।” এমনই দাবি করেন অমিত শাহা ।
তবে রাজনৈতিক মহলের একাংশ ইতিমধ্যেই প্রশ্ন তুলতে শুরু করেছে সবে তো প্রথম দফার ভোট শেষ হয়েছে, এখনও বাকি । তার আগেই এমন আত্মবিশ্বাস কি বাস্তবের মাটিতে দাঁড়িয়ে, নাকি শুধুই রাজনৈতিক কৌশল?অনেকের মতে, এটা আসলে ভোটের আগেই জয়ের পরিবেশ তৈরি করার চেষ্টা। আবার কেউ বলছেন, এই অতিরিক্ত আত্মবিশ্বাস উল্টে বুমেরাংও হতে পারে।
প্রশ্ন উঠছে সম্ভাব্য এই অঙ্ক কি সত্যিই জয়ের পূর্বাভাস, নাকি শুধুই খাতায়-কলমে তৈরি এক রাজনৈতিক ন্যারেটিভ?এখন সব নজর ৪ঠা মে-র দিকে। সেদিনই বোঝা যাবে, বাংলার মাটিতে আদৌ কি গেরুয়া ঝড় উঠছে, নাকি এই সমস্ত দাবি শুধুই প্রচারের ঝলকানি হয়েই থেকে যাবে।
রাজনৈতিক তাপমাত্রা ক্রমেই বাড়ছে এবার দেখার, ময়দানের লড়াইয়ে শেষ হাসি হাসবে কে।


