Aaj lndia Desk, উত্তর ২৪ পরগনা : পোস্টাল ব্যালটে ভোটগ্রহণের সময় গোপনীয়তা বজায় রাখা হয়নি বলে ভোটকর্মীদের অভিযোগকে কেন্দ্র করে উত্তপ্ত পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে একটি স্কুলে। ঘটনার জেরে এলাকায় চাঞ্চল্য ছড়ায়।এই পরিস্থিতির মধ্যেই প্রিসাইডিং অফিসারদের জন্য নতুন নির্দেশিকা জারি করেছে নির্বাচন কমিশন। নির্দেশ অনুযায়ী, ভোট পরিচালনার গুরুত্বপূর্ণ দিকগুলি ভালোভাবে ঝালিয়ে নেওয়ার পর প্রত্যেক প্রিসাইডিং অফিসারকে একটি মুচলেকা দিতে হবে।
“ব্যালটের নিরাপত্তা কোথায়? ব্যালট বক্স সিলই বা করা হয়নি কেন?”এই প্রশ্ন তুলেই ক্ষোভে ফেটে পড়লেন ভোটকর্মীরা। নির্বাচনী কাজে যুক্ত কর্মীদের জন্য পোস্টাল ব্যালটে ভোটদানের ব্যবস্থা থাকলেও, সেই ভোটগ্রহণ পর্বেই গোপনীয়তা লঙ্ঘনের গুরুতর অভিযোগ উঠেছে।এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে রবিবার উত্তপ্ত হয়ে ওঠে উত্তর ২৪ পরগনার মধ্যমগ্রামের একটি স্কুল প্রাঙ্গণ। অভিযোগের জেরে পরিস্থিতি ঘিরে ছড়ায় চরম উত্তেজনা।
ভোট দিতে আসা একাংশ ভোটকর্মীর অভিযোগ ঘিরে নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। তাঁদের দাবি, ব্যালট পেপার দেওয়া হয়েছে কোনও ধরনের সিল ছাড়াই। শুধু তাই নয়, ব্যালট বক্সও সিল করা হয়নি বলে অভিযোগ ওঠে।একজন অভিযোগকারী ভোটকর্মীর কথায়, ব্যালট বক্সে কোনও সিল বা ট্যাগ ছিল না, ফলে গোপনীয়তা পুরোপুরি প্রশ্নের মুখে পড়ে যায়। তাঁর আরও অভিযোগ, ভিতরে পরিচয়পত্র ছাড়া একাধিক ব্যক্তি উপস্থিত ছিলেন, যাদের সেখানে থাকার কথা ছিল না ফলে পুরো প্রক্রিয়ার স্বচ্ছতা নিয়েই উঠছে গুরুতর প্রশ্ন।
এই ঘটনার প্রেক্ষিতে ইতিমধ্যেই নির্বাচন কমিশনে অভিযোগ দায়ের করেছেন ভোটকর্মীদের একাংশ। অভিযোগের মধ্যেই কমিশন নতুন একটি নির্দেশিকা জারি করেছে, যা CEO দফতর থেকে সমস্ত জেলাশাসকের কাছে পাঠানো হয়েছে।
নতুন নোটিস অনুযায়ী, ডিসট্রিবিউশন সেন্টারে ভোটকর্মীদের জন্য ২০ থেকে ৩০ মিনিটের একটি শেষ মুহূর্তের ব্রিফিং রাখা হবে, যেখানে ভোট পরিচালনার গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলো আবারও বিস্তারিতভাবে ঝালিয়ে নেওয়া হবে।
এরপর প্রিসাইডিং অফিসারদের একটি মুচলেকা দিতে হবে, যেখানে উল্লেখ থাকবে যে প্রিসাইডিং অফিসারের কর্তব্যসমূহ সংক্রান্ত পুস্তিকা তিনি ভালোভাবে পড়ে বুঝেছেন এবং নির্বাচন কমিশনের সমস্ত নির্দেশিকা যথাযথভাবে মানবেন।
কমিশনের নির্দেশ অনুযায়ী, এই সই করা নথি নির্বাচন প্রক্রিয়া শেষ না হওয়া পর্যন্ত রিটার্নিং অফিসারদের কাছে সংরক্ষিত থাকবে।


