মালদহ: মোথাবাড়ি কান্ডের তদন্তে নেমে পড়েছে জাতীয় তদন্তকারী সংস্থা এনআইএ (NIA)। রবিবার ধরা পড়েন গোলাম রব্বানি। এর আগে এই ঘটনার “মূলচক্রী” হিসেবে বাগডোগরা বিমানবন্দর থেকে গ্রেফতার হয়েছিলেন মোফাক্কেরুল ইসলাম। সেই সূত্র ধরেই এদিন গোলাম রাব্বানিকে গ্রেফতার করেছে NIA বলে জানা যায়। এবার সামনে এল আরও এক চাঞ্চল্যকর আটকের ঘটনা।
রবিবারই সন্ধ্যায় মোথাবাড়ি কান্ডে (Mothabari Incident) আটক হয়েছে আরও একজন। সায়েম চৌধুরী নামক ওই ব্যক্তিও সরাসরি রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত। জানা গিয়েছে, সায়েম চৌধুরী স্থানীয় কংগ্রেস কর্মী ও ব্লক ছাত্র পরিষদ সভাপতি। এমনকি বিধানসভা ভোটে কংগ্রেসের প্রার্থী।
প্রচারের মাঝে ফিল্মি কায়দায় আটক প্রার্থী
জানা গিয়েছে, আটক হতে পারে ভেবে বেশ কয়েকদিন প্রচারে বেরচ্ছিলেন না ওই কংগ্রেস প্রার্থী। কিন্তু সামনে ভোট। তাই রবিবার আলিনগরে প্রচারে বেরিয়েছিলেন সায়েম চৌধুরী। আর তখনই তাঁকে প্রচার থেকে তুলে নিয়ে যায় জাতীয় তদন্তকারী সংস্থা। প্রথমে তাঁকে মোথাবাড়ি থানা এবং পরে এনআইএ ক্যাম্পে নিয়ে যাওয়া হয়। মোথাবাড়িতে (Mothabari Incident) বিডিও অফিসে ৭ বিচারবিভাগীয় আধিকারিককে আটক করে রাখা, হিংসা, উত্তেজনার বিষয়ে তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ করছে এনআইএ (NIA)।
উল্লেখ্য, এর আগে ৯ এপ্রিল মোথাবাড়ি কান্ডে (Mothabari Incident) ধৃত ৪৭ জন অভিযুক্তকে হেফাজতে চেয়ে আদালতে আবেদন করেছিল এনআইএ (NIA)। এই ঘটনায় এখনও পর্যন্ত মোট ১২ টি মামলা দায়ের হয়েছে। এর আগে ধৃতদের পুলিশি হেফাজতে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছিল মালদহের মুখ্য বিচার বিভাগীয় আদালত। পরে বিচারক ৪৬ জনকে জেল হেফাজতের নির্দেশ দেন। সেই অভিযুক্তদেরই নিজেদের হেফাজতে চেয়ে আদালতের দ্বারস্থ হয়েছিল এনআইএ।


