মালদহ: মালদহের কালিয়াচকের মোথাবাড়ির ঘটনায় (Mothabari Incident) তদন্তে নেমেছে জাতীয় তদন্তকারী সংস্থা NIA। বিডিও অফিসে ৩ মহিলা সহ ৭ বিচারবিভাগীয় আধিকারিককে প্রায় ৮ ঘন্টা আটক করে রাখা, ১২ নং জাতীয় সড়ক অবরুদ্ধ করে বিক্ষোভ, হিংসার ঘটনায় তোলপাড় হয়ে উঠেছিল রাজ্য। ভোটের আগে এসআইআরের কাজে নিযুক্ত বিচারকদের সঙ্গে এহেন আচরণের চরম নিন্দা করে রাজ্যকে তুলোধোনা করেছিল খোদ সুপ্রিম কোর্ট। সেইসঙ্গে এই ঘটনার তদন্ত কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থার হাতে তুল্কে দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছিল শীর্ষ আদালত।
সেইমত তদন্তে নেমেছিল এনআইএ (NIA)। জানা গিয়েছে, মোথাবআড়ির ঘটনায় প্রথম গ্রেপ্তার করল এনআইএ (NIA)। ধৃত ব্যক্তির নাম গোলাম রব্বানি, বলে জানা গিয়েছে। সূত্রের খবর, গ্রেপ্তার হওয়া ব্যক্তি গ্রাম পঞ্চায়েতের আইএসএফ সদস্য। এর আগে এই ঘটনার “মূলচক্রী” হিসেবে বাগডোগরা বিমানবন্দর থেকে গ্রেফতার হয়েছিলেন মোফাক্কেরুল ইসলাম। সেই সূত্র ধরেই এদিন গোলাম রাব্বানিকে গ্রেফতার করেছে NIA বলে জানা গিয়েছে।
বলা বাহুল্য, পেশায় আইনজীবী মোফাক্কেরুল ইসলামের সঙ্গে আসাদউদ্দিন ওয়েইসির মিমের যোগ ছিল। একুশের ভোটে তিনি মিমের টিকিটে ভোটে লড়েছিলেন। তাঁর গ্রেফতারিতে তৃণমূলের তরফে দাবী করা হয়েছিল, কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা নামার আগেই মোথাবাড়ি কান্ডের (Mothabari Incident) মূলচক্রীকে গ্রেফতার করেছে সিআইডি।
উল্লেখ্য, এর আগে ৯ এপ্রিল মোথাবাড়ি কান্ডে ধৃত ৪৭ জন অভিযুক্তকে হেফাজতে চেয়ে আদালতে আবেদন করেছিল এনআইএ। এই ঘটনায় এখনও পর্যন্ত মোট ১২ টি মামলা দায়ের হয়েছে। এর আগে ধৃতদের পুলিশি হেফাজতে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছিল মালদহের মুখ্য বিচার বিভাগীয় আদালত। পরে বিচারক ৪৬ জনকে জেল হেফাজতের নির্দেশ দেন। সেই অভিযুক্তদেরই নিজেদের হেফাজতে চেয়ে আদালতের দ্বারস্থ হয়েছিল এনআইএ।


