Aaj lndia Desk,কলকাতা: আসন্ন বিধানসভা নির্বাচন ২০২৬ (West Bengal election assembly 2026) বাংলার রাজনৈতিক মঞ্চে ইতিমধ্যেই চড়ছে উত্তাপ। আর সেই উত্তাপের কেন্দ্রবিন্দু হয়ে উঠছে দক্ষিণ কলকাতার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র ভবানীপুর বিধানসভা ভবানীপুরের বিধানসভা (Bhabanipur)।
এবারের লড়াই শুধু ভোটের লড়াই নয়, বরং রাজনৈতিক প্রভাব-প্রতিপত্তির সরাসরি সংঘর্ষ। একদিকে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee), অন্যদিকে বিরোধী শিবিরের অন্যতম মুখ শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari) এই দুই হেভিওয়েটের মুখোমুখি লড়াই ঘিরে ভবানীপুরে তৈরি হয়েছে ‘হাইভোল্টেজ’ পরিস্থিতি।প্রচারে ইতিমধ্যেই ঝড় তুলেছে শাসক ও বিরোধী মিছিল, সভা, কৌশল সবকিছুতেই চোখে পড়ছে তীব্র প্রতিযোগিতা। তবে এর মাঝেই নতুন করে আগুনে ঘি ঢেলেছে একটি পোস্টার বিতর্ক। এই পোস্টার ঘিরে শুরু হয়েছে তীব্র রাজনৈতিক তরজা, যা ভবানীপুরের নির্বাচনী আবহকে আরও উত্তপ্ত করে তুলেছে। সব মিলিয়ে, ভবানীপুর এখন শুধু একটি কেন্দ্র নয় এটি হয়ে উঠেছে বাংলার রাজনৈতিক লড়াইয়ের মিনি ব্যাটলগ্রাউন্ড , যেখানে প্রতিটি পদক্ষেপ, প্রতিটি মন্তব্যই নির্ধারণ করতে পারে বড় সমীকরণ।
ভোটের উত্তাপে ইতিমধ্যেই ফুঁসছে ভবানীপুর বিধানসভা (Bhabanipur Assembly)। তার মাঝেই হঠাৎ এক ব্যানার ঘিরে চর্চা যেন নতুন মাত্রা পেল। শহরের এই গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্রে দেখা গেল এক বিতর্কিত বার্তা ভবানীপুরে এবার পাঁঠা বলি হবে। ব্যানারের নীচে লেখা দক্ষিণ কলকাতা ফ্যাম কমিউনিটি। তবে শুধুই লেখাই নয়, নজর কাড়ছে তার ভিজ্যুয়ালও একটি হাঁড়িকাঠের ছবি, আর তার পাশে পাঁঠার মুখ।এখানেই তৈরি হয়েছে আসল বিতর্ক। অভিযোগ, ওই পাঁঠার মুখটি নাকি বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)-র আদলে তৈরি। ফলে রাজনৈতিক মহলে শুরু হয়েছে তীব্র প্রতিক্রিয়া, পাল্টা প্রতিক্রিয়া। নির্বাচনের আগে এই ধরনের ব্যানার যে শুধু বিতর্কই বাড়াচ্ছে তা নয়, বরং ভবানীপুরের লড়াই কে আরও ব্যক্তিগত ও তীক্ষ্ণ করে তুলছে এমনটাই মনে করছেন রাজনৈতিক মহলের একাংশ।
নির্বাচনের উত্তাপের মাঝেই নতুন করে সামনে এসেছে আরেকটি স্পর্শকাতর ইস্যু ভোটার তালিকা সংশোধন। ভবানীপুর বিধানসভা (Bhabanipur Assembly)-এ সাম্প্রতিক এক বিশ্লেষণ ঘিরে শুরু হয়েছে জোর চর্চা। তথ্য বলছে, এসআইআর (SIR)-এর পর যাঁদের নাম তালিকা থেকে বাদ গিয়েছে,তাঁদের মধ্যে ৪০ শতাংশেরও বেশি মুসলিম সম্প্রদায়ের। অথচ এই কেন্দ্রে মুসলিম জনসংখ্যার হার প্রায় ২০ শতাংশের আশেপাশে। সংখ্যার এই ফারাকই তৈরি করছে বড় প্রশ্ন। এই অসামঞ্জস্য কি নিছকই কাকতালীয়, নাকি এর পিছনে রয়েছে অন্য কোনও কারণ তা নিয়েই এখন জোর জল্পনা রাজনৈতিক মহল থেকে সাধারণ মানুষের মধ্যে। বিরোধীরা বিষয়টি নিয়ে সরব, অন্যদিকে প্রশাসনিক প্রক্রিয়ার স্বচ্ছতা নিয়েও উঠছে একাধিক প্রশ্ন। সব মিলিয়ে, ভোটের আগে এই ইস্যু ভবানীপুরের সমীকরণে নতুন মাত্রা যোগ করেছে বলেই মনে করা হচ্ছে।


